

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বাংলাদেশ যেন কোনো ধরনের পানি আগ্রাসনের শিকার না হয়, সে বিষয়ে সরকার ও দেশের মানুষ সজাগ থাকবে। একইসঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারতকে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরি নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভারতের পানি আগ্রাসন প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘ভারতকেও চিন্তা করতে হবে, পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশ একটি বন্ধু দেশ। বন্ধুত্বের সম্পর্ক কতটুকু ইতিবাচক হওয়া দরকার, তা তাদের দেখা উচিত। আমরা আশা করছি, ভারত এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সজাগ থাকবে এবং বন্ধুপ্রতিম দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবে।’
তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের আগ্রাসনের শিকার যেন আমাদের দেশের মানুষ না হন, সেজন্য আমরা আরও বেশি সজাগ থাকব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশবাসীও সজাগ থাকবে।’
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল। এখন জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছে, আমরাও দায়িত্ব নিয়ে দেশ পরিচালনা করছি। এই মুহূর্তে জিরো টলারেন্সে চলে যাব বলব না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই চ্যালেঞ্জটুকু আমরা হাতে নিয়েছি।’
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিনি বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান। সে হিসেবে মুহুরি নদীর প্রকল্পসহ দেশের সব প্রকল্প যথাযথভাবে শেষ করা, দুর্নীতি প্রতিরোধ করা এবং দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা তার দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ‘দায়িত্বটুকু পালন করছি খুব সতর্কতার সঙ্গে। কোনো ধরনের প্রভাবশালীর প্রভাব, দুর্নীতি বা কেউ যেন ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা সজাগ থাকব।’
মন্ত্রী জানান, আগামী সেপ্টেম্বরের যেকোনো সময় অথবা মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীতে এসে প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করবেন। এ সময় তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।
প্রকল্পটির কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন পানিসম্পদমন্ত্রী।


