রবিবার
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রবিবার
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, এই নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের: তারেক রহমান

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান
expand
নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাডেট কলেজ, মেডিকেল কলেজ, বিমানবন্দর ও আইটি হাব করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই। এজন্য ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়কে শিল্পে রূপান্তর করতে চাই। আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, মানুষ জীবন দিয়েছে, বিগত সরকারের আমলে অত্যাচারিত হয়েছে, নির্যাতিত হয়েছে। তাদের এই মূল্যায়ন কখনো বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। এবারে নির্বাচন শুধু দেশের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করার জন্য নয়, এবারের নির্বাচন হবে আমাদের দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে মানুষের যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল সেটা ভোটের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেবে। বিগত ১৬ বছর স্বৈরাচার শুধু নিজের স্বার্থ দেখেছে। আমরা জনগণের সমর্থন দিয়ে সরকার গঠন করতে চাই। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনী জনসভায় এক দল আরেক দলের বিপক্ষে কথা বললে জনগণের কোনও লাভ হবে না। জনগণ জানতে চায় আমরা মানুষের জন্য কি করবো। এজন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা তুলে ধরেছি।

খালেদা জিয়া বলতেন বাংলাদেশ ছাড়া তার আর কোনও ঠিকানা নেই। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী বিশ্বাস করে বাংলাদেশ তাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। এজন্য আমরা জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছি। জনগণের শক্তিতে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, ২৪ সালে অভ্যুত্থান দিয়ে দেশকে রক্ষা করেছি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের। ২৪ এও একই। এই দেশে হাজার বছর ধরে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছে। আগামীতেও তাই হবে। ধর্ম দিয়ে কাউকে বিচার করা হবে না।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের বেধড়ক পেটাচ্ছে পুলিশ। চাইলেই এট‍্যাকের ভান করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া যেতো। যেমনটি করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা কয়েকমাস আগে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাবের কারণ কী?

বিচার চাইতে এসে শিক্ষার্থীদের এমন নির্মমতার শিকার হওয়া অত্যন্ত লজ্জার ও দুঃখজনক। যে কোনো পোশাকি বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালনে আরো বেশী সংযত, পেশাদার এবং মানবিক আচরণ করবেন সে প্রত্যাশা করি।

ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশের এমন মারমুখী আচরণ ও অতিরিক্ত বল প্রয়োগের নিন্দা জানাই।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X