শনিবার
৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শীর্ষ নেতাদের কার জনপ্রিয়তা বেশি

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
এনপিবি গ্রাফিক্স
expand
এনপিবি গ্রাফিক্স

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। লাইভ সম্প্রচারসহ নানা ধরনের কনটেন্টের মাধ্যমে মুহূর্তেই নিজেদের বার্তা দেশ-বিদেশে থাকা ভোটার ও সমর্থকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তারা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফেসবুক। এ প্ল্যাটফর্মে রাজনৈতিক নেতাদের অনুসারীর সংখ্যা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহও বেশ লক্ষণীয়।

বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি অনুসারী রয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজটি ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে খোলা হয় এবং বর্তমানে সেখানে অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৫৬ লাখ। এবারের নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তারেক রহমানের ফেসবুক পেজ থেকে তিনটি পেজ অনুসরণ করা হয়—তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পেজ, তার মেয়ে জাইমা রহমানের পেজ এবং বিএনপির অফিসিয়াল পেজ। নির্বাচনী প্রচারণার নানা কার্যক্রম নিয়মিতভাবে তার ফেসবুক পেজে তুলে ধরা হচ্ছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের (ঠাকুরগাঁও-১) নামেও একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ রয়েছে, যার অনুসারী সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৯ লাখ। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের (কক্সবাজার-১) ভেরিফায়েড পেজে অনুসারী রয়েছেন ২ লাখ ১৮ হাজার।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২০১৫ সালের এপ্রিলে খোলা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বর্তমানে অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ। তার পেজ থেকে কেবল জামায়াতে ইসলামীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ অনুসরণ করা হয়। নির্বাচনী প্রচারণার বিভিন্ন কার্যক্রম তিনি নিজস্ব ফেসবুক পেজের মাধ্যমে তুলে ধরছেন।

দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের (খুলনা–৫) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অনুসারী ৫ লাখ ৩০ হাজার। আর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে অনুসরণ করেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী।

এছাড়া, ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর ১২ লাখ অনুসারীর পেজটি তৈরি করা হয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। নাহিদের ফেসবুক পেজেও তাঁর নির্বাচনী কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। তাঁর আরেকটি ভেরিফায়েড আইডি রয়েছে, সেটির অনুসারী ১৪ লাখ।

ফেসবুকে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে অনুসরণ করেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ব্যবহারকারী। তবে দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারী ৩৪ লাখ। উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুসারী সংখ্যা ৩১ লাখ।

শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৭ হাজার। এই পেজ তৈরি হয়েছে ২০১৯ সালের মার্চে। তিনি ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী।

বিএনপির জোটসঙ্গী হিসেবে ভোলা-১ (ভোলা সদর) আসনে নির্বাচন করছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ। তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ৩২ লাখ। ২০০৯ সালের জানুয়ারি এটি খোলা হয়েছিল।

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের ফেসবুক পেজ ২০২০ সালের জানুয়ারিতে খোলা। অনুসারীর সংখ্যা ৯ লাখ ৭৫ হাজার। তিনি পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের অনুসারীর সংখ্যা ৬ লাখ ৬১ হাজার। তিনি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ঢাকা-১৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জামায়াতের সঙ্গে ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে যোগ দিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ফেনী-২ আসনের প্রার্থী। তাঁর আইডিতে অনুসারী ৯৪ হাজার।

অন্যদিকে, বেশ কয়েকজন আলোচিত প্রার্থীর ফেসবুক পেজ ঘেঁটে দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে অনুসারীর দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছেন ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা। তাঁর ফলোয়ার ৭১ লাখের বেশি। জারার ফেসবুক পেজটি বেশ পুরোনো, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে খোলা।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X