

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দুই দশক পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের নবম বৈঠক। আগামী ২৭ অক্টোবর তিন দিনের বৈঠক শুরু হবে, যেখানে দুই দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবে। অর্থনীতিবিদরা আশা করছেন, এই বৈঠক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানো এবং শুল্ক কমানোর বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা এটিকে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সদিচ্ছারও প্রকাশ হিসেবে দেখছেন।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল অর্থমন্ত্রী আহাদ খান চিমারের, তবে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক নেতৃত্ব দেবেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
২৭ অক্টোবর সোমবার সকালে আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষি, আর্থিক সেবা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে সহায়তা প্রদানের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। এ সময় দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকও সই হতে পারে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের পাকিস্তানের সঙ্গে অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে, তাই সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বৈঠকে রাজনৈতিক স্বার্থের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। ড. মাহফুজ কবির বলেন, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের ব্যবসার সুযোগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, অর্থনীতি, রাজনৈতিক ইস্যু এবং ৭১ সালের অমীমাংসিত বিষয়-এই তিনটি সদিচ্ছা থাকলে দুই দেশের সম্পর্কের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান যোগ করেন, বাংলাদেশকে রপ্তানি বৃদ্ধিতে কৌশলগত উদ্যোগ নিতে হবে এবং পাকিস্তানের বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিতে হবে।
মন্তব্য করুন
