

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনাররা (ইসি) বাংলাদেশের উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) সতর্ক করেছেন।
তাঁদের নির্দেশনা—কারো পক্ষে কাজ করা যাবে না এবং দায়িত্ব পালন করতে হবে অস্তিত্বের প্রশ্নে হিম্মতের সঙ্গে।
এই নির্দেশনা দেওয়া হয় বুধবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই)-এর ‘নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ইউএনওদের বলেছেন, “অস্তিত্বের প্রশ্নে হিম্মত ও সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কেউ যেন ভয় না পায়।” তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি কর্মকর্তাদের মনোবল ও সততা এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর কিছু সময় অস্থিতিশীল ছিল। অনেক কিছু হয়েছে, কিন্তু এখন ভয় পাওয়ার কিছু নেই। দুই কেয়ারটেকার সরকারের সময় সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ও ক্ষমতা পেয়েছি।
এবার এই সরকারের অধীনে সততা ও নিষ্ঠা প্রদর্শনের সুযোগ এসেছে। শিডিউল ঘোষণার পর দেখবেন, আশেপাশে কেউ থাকবে না।”
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ইউএনওদের আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে হবে।”
তিনি বলেন, “পরিবেশ তৈরির স্বার্থে কারো পক্ষে কাজ করা যাবে না। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর থাকা হবে।
দুই পক্ষের কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাকে ধরে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট নিয়মিত এবং স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করতে হবে।”
ইউএনওদের সততা ও হিম্মতের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনকালীন কোনো পক্ষের পক্ষে কাজ করা যাবে না। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।
মোবাইল কোর্ট নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনার নির্দেশ। নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি ও অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে প্রাথমিক প্রস্তুতি জরুরি
মন্তব্য করুন
