

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু জানিয়েছেন, তার শরীরের অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। শরীর আগের চেয়ে অনেক খারাপ যাচ্ছে। পা ফুলে গেছে।’
গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদের মাধ্যমে জানা যায়, সম্প্রতি নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শপথ অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল কিনা বিষয়ে আলোচনাকালে গণমাধ্যমকে তিনি নিজের অসুস্থতার কথা জানান।
এ সময় স্বাভাবিক হাঁটাচলায়ও সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়ে দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি। একইসঙ্গে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পেয়ে দুঃখ ও বিব্রতবোধও প্রকাশ করেন।
এর আগে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের কারণ প্রসঙ্গে পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন লেখেন, তিনি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। তার নতুন রোগ শনাক্তের কথা জানিয়ে তিনি লেখেন, ইদানিং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই।
তিনি লেখেন, রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের এপ্রিলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। সাহাবুদ্দিন ই একমাত্র ব্যক্তি যিনি রক্তাক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও এতদিন শীর্ষ কোনো সাংবিধানিক পদে বহাল ছিলেন। আওয়ামী লীগ, অন্তর্বর্তী সরকার এবং সবশেষ বিএনপি; তিন সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন মো. সাহাবুদ্দিন।


