

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনালগুলোতে কারিগরি ত্রুটির কারণে পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
এর ফলে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির আওতাভুক্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও আবাসিকসহ সব ধরনের গ্রাহক তীব্র গ্যাসসংকটে পড়েছেন। অনেক এলাকায় গ্যাসের চাপ এতটাই কমে যেতে পারে যে স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলোতে সৃষ্ট কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি সরবরাহ প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) কমে গেছে।
এই ঘাটতির প্রভাব সরাসরি তিতাস গ্যাসের বিতরণ এলাকায় পড়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ অব্যাহত থাকতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকের দৈনন্দিন গ্যাস ব্যবহার ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে পিক আওয়ারে অনেক এলাকায় গ্যাসের চাপ আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের সাময়িক ভোগান্তির জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে কারিগরি ত্রুটি দ্রুত নিরসন করে এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে গ্যাসের চাপও ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।