শুক্রবার
৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাহাবুদ্দিনের চিকিৎসা দেশেই সম্ভব: শফিকুর রহমান

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ এএম
ফাইল ছবি
expand
ফাইল ছবি

সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের চিকিৎসা দেশের ভেতরেই সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। প্রয়োজন হলে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখা উচিত। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, একসময় তার জটিল রোগ হয়েছিল এবং চিকিৎসকেরা বিদেশে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে তিনি দেশে থেকেই চিকিৎসা নিয়েছেন।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ যদি দেশেই চিকিৎসা নেয়, তাহলে দেশের স্বাস্থ্য খাত আরও উন্নত হবে।

রাষ্ট্রপতির বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, তিনি এ বিষয়ে আগে কিছু শোনেননি। তবে পরে জানতে পেরেছেন, রাষ্ট্রপতি গুরুতর অসুস্থ এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার ঘটনাবলিতে রাষ্ট্রপতির কোনো দায় রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দায় রয়েছে। তার মতে, অভিভাবক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় সংঘটিত সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জনগণের ওপর অন্যায় বন্ধের আহ্বান জানানো উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে স্বাক্ষর করা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্রে সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি সমস্যায় ভুগছেন। এর আগে তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারিও করা হয়েছিল। সম্প্রতি ‘অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি’ নামের একটি রোগ শনাক্ত হয়েছে, যার কারণে তিনি মাঝে মাঝে অল্প সময়ের জন্য অচেতন হয়ে পড়েন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন