

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা চত্বরে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। ‘তারেক রহমান স্কয়ার’-এর নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘মীর মুগ্ধ স্কয়ার’।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে স্কয়ারটির সংস্কার কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি এ ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘মীর মুগ্ধ স্কয়ার’ পূর্বের নাম ছিল তারেক রহমান স্কয়ার। এটি শুধু একটি স্থাপনার নাম নয়, বরং জুলাইয়ের আত্মত্যাগ, সাহস ও গণআকাঙ্ক্ষার প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে কোনো স্কয়ার করেননি, ‘মীর মুগ্ধ স্কয়ার’ নামটি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা শুধু ইতিহাসের একটি অধ্যায় নয়, এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অধিকার ও মানুষের মুক্তির সংগ্রামের প্রতীক। প্রতিদিন মানুষ যখন মীর মুগ্ধ স্কয়ারের পাশ দিয়ে যাবে, তখন জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের ত্যাগের কথা স্মরণ করবে।
মীর শাহে আলম বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিক এবং সনদের প্রতিটি বিষয় কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, যাদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হয়েছে, সেই বীর শহীদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যেতে পারে না। জুলাইয়ের প্রতিটি শহীদ ও আহত যোদ্ধা মানুষের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবেন। তাদের আত্মত্যাগের ঋণ কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয়।
তিনি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের ইতিহাস, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও অধিকার রক্ষার সংগ্রামের গুরুত্ব তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
সংস্কার কাজের উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের স্কয়ারটির সৌন্দর্য ও মর্যাদা রক্ষায় সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুল ওহাব, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুজ্জামান শাহীন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।