

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হতেই ব্যাপক চাপ পড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। টিকিট বিক্রির প্রথম আধা-ঘণ্টাতেই প্রায় ৬০ লাখ হিট পড়ে।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ১৪ হাজার ৫৩৫টি টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিক্রিত টিকিটের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫ হাজার ১৪৮টিতে। অর্থাৎ সকালেই পশ্চিমাঞ্চলের অধিকাংশ টিকিট শেষ হয়ে যায়।
এদিন বিক্রি হচ্ছে আগামী ২৩ মে যাত্রার টিকিট। ঈদ উপলক্ষে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল মিলিয়ে মোট ৪৩টি আন্তঃনগর ট্রেন পরিচালনা করা হবে। এসব ট্রেনে মোট আসন রয়েছে ৩১ হাজার ২৪০টি। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ১৫ হাজার ৯৭৪টি এবং পশ্চিমাঞ্চলে ১৫ হাজার ২৬৬টি আসন বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, আজ দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলগামী ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে আগামী ১৪ মে ২৪ মে যাত্রার, ১৫ মে ২৫ মে যাত্রার, ১৬ মে ২৬ মে যাত্রার এবং ১৭ মে ২৭ মে যাত্রার টিকিট বিক্রি করা হবে।
রেলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী একবারে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। তবে একজনের নামে একাধিকবার অগ্রিম টিকিট কেনার সুযোগ থাকবে না। এছাড়া ঈদের অগ্রিম টিকিট ফেরত বা রিফান্ড করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।
যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে। তবে এই সুবিধা উচ্চ শ্রেণির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
এদিকে টিকিট কেনাকে কেন্দ্র করে প্রতারণা ঠেকাতে সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিকিট শুধুমাত্র রেলওয়ের নির্ধারিত অনলাইন ওয়েবসাইট ও ‘রেল সেবা’ অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ থেকে টিকিট কেনাবেচা না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রেলওয়ে আরও জানিয়েছে, অনুমোদিত প্ল্যাটফর্ম ছাড়া অন্য কোথাও আর্থিক লেনদেন করলে যাত্রীরা প্রতারণার শিকার হতে পারেন। তাই নিরাপদে টিকিট সংগ্রহে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
