

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চার বছর পর আবারও মাঠে গড়াতে যাচ্ছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ। আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ২৩তম সংস্করণ। এবারই প্রথম ৪৮টি দল অংশ নেওয়ায় টুর্নামেন্টটি আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘ আকারে অনুষ্ঠিত হবে।
তবে বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা থাকলেও বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য রয়েছে অনিশ্চয়তার খবর। এখনো পর্যন্ত দেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা চূড়ান্ত হয়নি।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কিংবা কোনো বেসরকারি টেলিভিশন বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম—কেউই এখন পর্যন্ত সম্প্রচার স্বত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট অনুমোদন ছাড়া কোনো বিদেশি সম্প্রচার সরাসরি অন্য দেশে দেখানো যায় না। ফলে স্থানীয় কোনো প্রতিষ্ঠান স্বত্ব না কিনলে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ দেখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
জানা গেছে, বাংলাদেশে ২০২৬ বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্প্রিংবক পিটিই লিমিটেড। বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কাছ থেকেই লাইসেন্স নিতে হবে।
বিটিভির এক সূত্র জানায়, পুরো স্বত্বের মূল্য প্রায় ১৫১ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। কর ও অন্যান্য খরচ যোগ হলে মোট ব্যয় ২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। চুক্তি অনুযায়ী, মোট অর্থের অর্ধেক ১০ মে’র মধ্যে এবং বাকি অংশ ১০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করার শর্ত রয়েছে। এই প্যাকেজে উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানসহ মোট ১০৪টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার এবং হাইলাইটস দেখানোর সুযোগ থাকবে।
এত বড় অঙ্কের ব্যয়ের কারণে বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবেও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিটিভিকে ফিফার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে বিকল্প কোনো সমাধান খুঁজে দেখার পরামর্শ দিয়েছে, যাতে বিনামূল্যে বা কম খরচে সম্প্রচারের সুযোগ পাওয়া যায় কি না তা যাচাই করা যায়। তবে এখন পর্যন্ত ফিফার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে কোটি কোটি বাংলাদেশি দর্শক এবারের বিশ্বকাপ দেখা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
