

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি সংসদ অধিবেশনে আলোচনায় আনার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনের আগে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি নিয়ে তখনই আপত্তি উঠেছিল। তার দাবি, এতে এমন কিছু ধারা রয়েছে যা বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হতে পারে। সরকার চাইলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চুক্তিটি বাতিলের সুযোগও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বৈঠকে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। সেখানে দুই দেশের বাণিজ্য ভারসাম্য, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানি, ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য নীতিগত সংস্কারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
রুমিন বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমরা রফতানি করি, আমেরিকা থেকে সে পরিমাণ পণ্য আমরা আমদানি করি না, যে কারণে একটা বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে বিরাট এবং এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে।’
চুক্তি সইয়ের ‘সময় নিয়ে’ আপত্তি তুলে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি যে ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।’
তার কথায়, তখন দেশের ‘সুশীল সমাজ’ ও ‘থিংক ট্যাংক’ মহল থেকে বলা হয়েছিল, একটি অনির্বাচিত সরকার এ ধরনের চুক্তি সই করতে পারে না।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই চুক্তিতে অনেকগুলো ক্লজ আছে যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু আনফরচুনেটলি আমরা দেখলাম যে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শোনে নাই এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।’
এ সময় তিনি আরও কিছু বলতে চাইলে স্পিকার তাকে থামিয়ে দেন। স্পিকার জানান, এটি পয়েন্ট অব অর্ডারের মধ্যে পড়ে না এবং সংসদের কার্যপ্রণালি অনুযায়ী এভাবে নতুন বিষয় তোলা যায় না। তিনি সদস্যকে নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দেন।
মন্তব্য করুন
