

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিল করে আগের আইন পুনর্বহালের প্রস্তাব সংসদে পাস হয়েছে। এর ফলে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯’ আবার কার্যকর হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। তবে এ নিয়ে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে আপত্তি ওঠে।
বিলের বিরোধিতা করে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বলেন, আজকে যারা সরকারি বেঞ্চ রয়েছেন তারা চব্বিশের জুলাইয়ের আগে হলে এই বিল পাসের বিরোধিতা করত। ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ ‘ল্যাপস’ করানো হলে মানবাধিকার কমিশনকে আবারও ‘রাজনৈতিক দমনপীড়নের হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।
এর জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন,সংসদ সদস্য খুব সুন্দর বক্তৃতা দিয়েছেন। উনার বক্তৃতাগুলো পল্টন ময়দান, প্রেসক্লাব বা রাজপথের জন্য অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক ও জুসি (রসালো)। উনি সব পড়েছেন, শুধু বিলটা পড়েননি। বিলের প্রথম লাইনেই দেওয়া আছে যে, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অধিকতর পরামর্শ ও যাচাইবাছাই করার প্রয়োজনে এবং মানবাধিকার কমিশনের জায়গাটি যাতে ফাঁকা না থাকে, সেই কারণেই আপাতত ২০০৯ সালের আইনটি রেস্টোর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯’-এ সংশোধন এনে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। সর্বশেষ সংসদে পাস হওয়া বিলের মাধ্যমে সেই অধ্যাদেশটি বাতিল করা হলো।
মন্তব্য করুন
