

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


“চিরন্তন গৌরব ও নবায়িত বিজয়”- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে ঢাকায় উদযাপিত হয়েছে আলজেরিয়ার ৬৪তম বিজয় দিবস। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর বারিধারা এলাকায় দেশটির ঢাকাস্থ দূতাবাসের উদ্যোগে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
আলজেরিয়ার জাতীয় সংগীত বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে দেশটির জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে, আলজেরিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এসময় পবিত্র কুরআন থেকে তেলওয়াত করেন কারী আনোয়ারুল হক।
অনুষ্ঠানে ১৯ মার্চ ১৯৬২-এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন ঢাকায় নিযুক্ত আলজেরিয়ান রাষ্ট্রদূত আবদেলওয়াহাব সাইদানি। তিনি বলেন, এই দিনে আলজেরিয়ার অস্থায়ী সরকারের (জিপিআরএ) প্রেসিডেন্ট বেনইউসেফ বেনখেদ্দা এভিয়ান চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে সমগ্র আলজেরিয়ায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। এর মাধ্যমে প্রায় আট বছরের সশস্ত্র সংগ্রাম সমাপ্ত হয় এবং ৫ জুলাই ১৯৬২-এ গণভোটের মাধ্যমে দেশটি স্বাধীনতার পথে প্রবেশ করে।
বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার সম্পর্ক ঐতিহাসিক উল্লেখ করে এসময় রাষ্ট্রদূত বলেন, আলজেরিয়ার বিজয় দিবস (১৯ মার্চ) এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ) উভয় দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম আরব দেশ ছিল আলজেরিয়া, যা দুই দেশের মধ্যে দৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছে।
আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ইসলামিক স্কলার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং বৈজ্ঞানিক মহলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন