মঙ্গলবার
১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘের সভাপতি পদে বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে তুরস্ক

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের সাক্ষাৎ। ছবি সংগৃহীত
expand
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের সাক্ষাৎ। ছবি সংগৃহীত

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার জন্য তুরস্ক সমর্থন প্রদান করবে। ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই সমর্থনের কথা জানান।

সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে রাষ্ট্রদূত রামিস সেন প্রতিমন্ত্রীকে তার সাম্প্রতিক নিয়োগের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার জন্য তুরস্কের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ দুই দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর জোর দেন, যা অভিন্ন মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি এবং ঐতিহ্যবাহী বন্ধনে প্রোথিত।

এছাড়া বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। উভয়পক্ষ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ইতিবাচক গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধির অভিন্ন লক্ষ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগকে স্বাগত জানান এবং এই ধরনের সম্পৃক্ততা সহজতর করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি ব্যক্ত করেন। তিনি দুই দেশের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী তুর্কি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তুরস্ক মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের ২০২৬-২০২৭ সালের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার বিষয়ে সমর্থন কামনা করলে রাষ্ট্রদূত রামিস সেন নিশ্চিত করেন, তুরস্ক বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে সমর্থন দেবে।

বৈঠকে দুই পক্ষ বাংলাদেশের সঙ্গে তুর্কি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস এমরে ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এটি প্রথমে একটি ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে শুরু হবে এবং ভবিষ্যতে বৃহত্তর সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সম্প্রসারিত হতে পারে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন