সোমবার
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ডের আবেদন করতে যা লাগবে 

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৭ এএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আয়–ব্যয়ের অসামঞ্জস্যের মধ্যে স্বল্পআয়ের পরিবারগুলোর জন্য নতুন সহায়তা কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে প্রস্তাবিত এই কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারকে মাসে ২ হাজার টাকা করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আসন্ন ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট আকারে) কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রায় ৫০ লাখ পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনতে বছরে সরকারের ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ১২ হাজার কোটিরও বেশি টাকা। প্রাথমিকভাবে বগুড়া ও দিনাজপুর জেলার মোট ৮টি উপজেলাকে বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়ার গাবতলী এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে।

উপকারভোগী নির্ধারণে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ খানা জরিপের তথ্য ব্যবহার করা হবে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতিদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলো অগ্রাধিকার পাবে।

ফ্যামিলি কার্ডের উদ্দেশ্য ও সুবিধা

এই কর্মসূচির মাধ্যমে নির্ধারিত পরিবারগুলোর হাতে সরাসরি নগদ অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে, যাতে নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন জোরদার হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য মতে, প্রচলিত বিভিন্ন সামাজিক ভাতার তুলনায় এ কর্মসূচিতে সহায়তার পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

তথ্য সংরক্ষণ ও আবেদন প্রক্রিয়া

একটি সমন্বিত ডেটাবেইস গড়ে তুলে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এর ফলে সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অনিয়ম কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। শুরুতে নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় তালিকা প্রণয়ন করে দেশব্যাপী সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে

আবেদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু না হলেও সম্ভাব্য প্রস্তুতি হিসেবে নিচের নথিগুলো সংরক্ষণে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে: ১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)। ২. সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি। ৩. সচল মোবাইল নম্বর।

আবেদন কীভাবে

পাইলট কার্যক্রম শেষ হলে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি অনলাইন আবেদন ব্যবস্থাও চালুর প্রস্তুতি রয়েছে। আবেদন করতে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হতে পারে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X