

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


একুশে ফেব্রুয়ারি মানেই বাঙালি সমাজের গর্বের দিন। যে বুলি ফোটে বাঙালির মুখে, তা রক্ষার জন্যই প্রাণ দিতে হয়েছিল এই জাতির। ১৯৫২ সালে রফিক-জব্বার-বরকতদের আত্মত্যাগেই রচিত হয় বাংলা ভাষার ঐশ্বরিক অমর একুশে।
প্রতি বছরের মতো বাঙালি তো বটেই এবারও জাতির বীর সন্তানের শ্রদ্ধা জানাচ্ছে বিশ্ব। কারণ, দিনটি উদযাপনের বাংলাদেশ থেকে শুরু হলেও আজ বিশ্ব পালন করছে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রীয় রেওয়াজ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ঢল নামে সর্বসাধারণের। যা এখনও চলছে।
এদিন বিকেল বেলা দেখা যায়, শ্রদ্ধার মিনারে আনন্দে মিশেছে সববয়সী মানুষ। একপাশে দাঁড়িয়ে সেদিনের ভাষা শহীদ ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও অপর পাশে সেই বাংলা বুলিতে মেতেছেন সবাই।
ঘন্টাখানেক মিনার প্রাঙ্গণে দেখা যায় রহমান ও তার পরিবারের। সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে আসা পরিবারটি বিনম্র শ্রদ্ধা জানায় মিনারে। মায়ের মুখের ভাষায় কথা বলার চেয়ে আনন্দের কিছু নাই জানিয়ে হক পরিবার বলছে, ভাষা মুখে থাকলেও বাংলা মূলত হৃদয়ের ভাষা। যে ভাষা মায়ের তারচেয়ে আপন কিছু হতে পারে না।
কয়েক সপ্তাহের শিশু থেকে একদম বয়স্ক ব্যক্তিদের উপস্থিতি দেখা যায় মিনার প্রাঙ্গণে। শিশুদের উচ্ছ্বাসে আনন্দ মেলায় পরিণত হয়েছে মিনার।
পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী আফরোজা বলেন, আমি বাংলা ভাষায় কবিতা, গল্প পড়তে ভালোবাসি। বন্ধুদের সঙ্গেও বাংলা ভাষায় কথা বলি।
বাঙালির প্রত্যাশা— শুধুমাত্র একুশে ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে নয়, শহিদ মিনারে চলা এই শ্রদ্ধা নিবেদন চলমান থাকবে জাতির অস্তিত্ব থাকা পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন
