

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড (এআরটি)’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেসিপ্রোক্যাল শুল্ক শূন্য করা হয়েছে। এছাড়া চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্কের হার কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহকারী লুৎফে সিদ্দিকী ও বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের আলোচক দলও উপস্থিত ছিল। চুক্তি স্বাক্ষরের সময় জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এটি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।
বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘চুক্তিটি আমাদের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই বাজারে বাড়তি প্রবেশাধিকার পাবেন।’
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান জানান, ‘পারস্পরিক শুল্ক হ্রাস বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য সুবিধা তৈরি করবে। যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি নির্দিষ্ট টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা বাংলাদেশের পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য গতি আনবে।’
চুক্তি উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেয়েছে। উভয় পক্ষ আনুষ্ঠানিক নোটিফিকেশন জারি করলে এটি কার্যকর হবে। চুক্তির নির্দিষ্ট শর্তাবলী নিয়ে এখনও সব তথ্য প্রকাশিত হয়নি, কারণ আগে নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট (এনডিএ) সই করা হয়েছিল।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ইতিমধ্যে গম, সয়াবিন তেল, ভুট্টা, তুলা, উড়োজাহাজ ও এলএনজিসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি শুরু হয়েছে।
মন্তব্য করুন

