

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর ফলে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচারিক কার্যক্রম শুরু হলো।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানি শেষে আহমেদ জোবায়েরের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে আগামী ১০ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
আসামিপক্ষে আইনজীবী সালেহ উদ্দিন অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। পরে তিনি আহমেদ জোবায়েরের জামিনের আবেদন জানান। তবে আদালত সেই আবেদনও নাকচ করে দেন।
এদিকে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা অপর একটি মামলাতেও আহমেদ জোবায়েরের জামিন চাওয়া হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জাহানের আদালতে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করলে সেটিও নামঞ্জুর করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সময় টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনায় থাকার সময় প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা উত্তোলন করেন আহমেদ জোবায়ের। পরবর্তীতে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর ওই অর্থের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের দুটি গাড়ি ফেরত দিতে তাকে বলা হয়। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি টাকা ও গাড়ি ফেরত দেননি।
এ বিষয়ে সময় টিভির মালিকানা প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের পক্ষ থেকেও সম্পদ ফেরত চেয়ে তাকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। তবে সেই নোটিশের পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও নথি জালিয়াতির অভিযোগে আহমেদ জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গত ১০ মে মামলা করেন সৈয়দ আসাদুজ্জামান। মামলার অন্য আসামিরা হলেন তার স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী, মেয়ে সারাফ নাওয়ার জয়ীতা, ছেলে আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরী।
মামলার পর ১৭ জুন আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছিল। নির্ধারিত দিনে তারা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এরপর ১৮ জুন আহমেদ জোবায়ের, আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তিনজনকে জামিন দিলেও আহমেদ জোবায়েরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

