

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস (গর্ভধারণ থেকে ১২ সপ্তাহ) শিশু ও মা দুজনদের জন্যই সংবেদনশীল পরিবর্তনের সময়। এই সময়ে একদিকে যেমন গর্ভস্থ শিশুর প্রধান অঙ্গগুলো গঠিত হয়, অন্যদিকে মায়ের শরীরেও দেখা দেয় বমি বমি ভাব, ক্লান্তি, মেজাজ পরিবর্তন বা স্তনে ব্যথার মতো নানা শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন।
এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টিকে সহজ ও সুরক্ষিত রাখতে যা করণীয় ও বর্জনীয়:
স্বাস্থ্যসেবা ও সঠিক পুষ্টি গ্রহণ
প্রথম দিন থেকেই ডাক্তারির পরামর্শ: গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ামাত্রই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পূর্বে চালু থাকা কোনো ওষুধ চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া বন্ধ বা পরিবর্তন করবেন না।
নিয়মিত ফলিক অ্যাসিড: স্পাইনা বাইফিডার মতো নিউরাল টিউব ত্রুটি প্রতিরোধে প্রতিদিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট নেওয়া জরুরি (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডোজ নির্ধারিত হতে পারে)।
সহজপাচ্য ও সুষম খাবার: বমি বা অস্বস্তি এড়াতে একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে ঘন ঘন খাবার খান। খাদ্যতালিকায় সবুজ শাক-সবজি, তাজা ফল, পর্যাপ্ত প্রোটিন, শস্যদানা, ডাল ও দুগ্ধজাত খাবার রাখুন।
পর্যাপ্ত বিশ্রাম
শারীরিক সক্রিয়তা: নিয়মিত হাঁটা, হালকা সাঁতার বা গর্ভবতী নারীদের জন্য নিরাপদ ব্যায়াম শরীরকে প্রফুল্ল রাখে। আগে শরীরচর্চার অভ্যাস না থাকলে নতুন করে কোনো ভারী ব্যায়াম শুরু না করে ধীরগতিতে শুরু করুন।
পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ: ব্যায়াম বা প্রতিদিনের কাজের মাঝে শরীর যেন কোনোভাবেই অতিরিক্ত গরম বা ক্লান্ত না হয়ে পড়ে। প্রচুর পানি ও পুষ্টিকর তরল পান করুন।
যেসব বিষয়ে সতর্ক ও নিরুৎসাহিত থাকা প্রয়োজন
ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন: মদ্যপান, ধূমপান বা যেকোনো ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য গর্ভস্থ শিশুর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর, তাই এগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন।
নিজের চিকিৎসায় ওষুধ না খাওয়া: সাধারণ ব্যথানাশক, ভেষজ উপাদান



