মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়িতে বসেই কীভাবে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করবেন?

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২০ পিএম আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

সঠিক নিয়মে বাড়িতে বসে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করলে প্রায় ৯৯% পর্যন্ত নির্ভুল ফলাফল পাওয়া সম্ভব। সাধারণত পিরিয়ড বা মাসিক মিস হওয়ার পর নারীরা ঘরে বসেই এই পরীক্ষাটি করে থাকেন।

বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট বা কাঠি (Strip) পাওয়া যায়, যার মাধ্যমে প্রস্রাবে থাকা গর্ভাবস্থার বিশেষ হরমোন ‘hCG’ (Human Chorionic Gonadotropin) সনাক্ত করা হয়।

অত্যন্ত গোপনীয়তা ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঘরে বসেই কীভাবে এই টেস্টটি করবেন, তার বিস্তারিত ধাপ নিচে আলোচনা করা হলো।

বাড়িতে বসে টেস্ট করার সঠিক নিয়ম

ধাপগুলো ক্রমানুসারে এবং নিখুঁতভাবে অনুসরণ করলে ভুল ফলাফল আসার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে।

১. সঠিক সময় নির্বাচন:

টেস্ট করার জন্য দিনের যেকোনো সময় বেছে নেওয়া গেলেও সকালের প্রথম ইউরিন সবচেয়ে ভালো। সারারাত ইউরিন জমা থাকার কারণে এতে hCG হরমোনের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে, যা নির্ভুল ফলাফল দেয়।

২. নমুনা সংগ্রহ:

একটি পরিষ্কার, শুকনো ছোট পাত্রে (প্লাস্টিকের ওয়ান-টাইম কাপ ব্যবহার করা যেতে পারে) কিছুটা ইউরিন সংগ্রহ করুন। কিছু কিট সরাসরি ইউরিনের ধারার নিচে ধরার নিয়ম থাকে, তবে পাত্রে সংগ্রহ করা সবচেয়ে নিরাপদ।

৩. কিট ব্যবহার:

নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্যাকেট থেকে টেস্ট স্ট্রিপটি বের করুন। স্ট্রিপের ওপর অ্যারো বা তীর চিহ্নিত অংশটি নিচের দিকে রেখে সংগৃহীত ইউরিনের পাত্রে নির্দিষ্ট দাগ (Max Line) পর্যন্ত ডোবান।

মনে রাখবেন, তীর চিহ্নের ওপর যেন ইউরিন না ওঠে। কিছু কিটের ক্ষেত্রে ড্রপার দিয়ে ২-৩ ফোঁটা ইউরিন নির্দিষ্ট গোল জায়গায় (Well) দিতে হয়।

৪.অপেক্ষা ও ফলাফল দেখা:

স্ট্রিপটি বা কিটটি ইউরিন থেকে তুলে একটি সমান এবং শুকনো জায়গায় রাখুন। ফলাফলের জন্য প্যাকেটের গায়ে লেখা নির্দেশিকা অনুযায়ী ৩ থেকে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন।

সাধারণত ৫ মিনিটের মধ্যে দাগ স্পষ্ট হয়ে যায়। তবে ১০ মিনিটের বেশি সময় পার হয়ে গেলে সেই ফলাফল আর গ্রহণযোগ্য থাকে না।

বিশেষ সতর্কতা:

টেস্ট করার ঠিক আগে খুব বেশি পরিমাণে পানি বা তরল খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। অতিরিক্ত পানি পানের ফলে ইউরিন পাতলা হয়ে যেতে পারে, যার কারণে হরমোনের সঠিক মাত্রা সনাক্ত না হওয়ায় পজিটিভ হওয়া সত্ত্বেও ফলাফল নেগেটিভ আসতে পারে।

পিরিয়ড মিস হওয়ার ১ম দিনে রেজাল্ট না আসলে, ৩-৪ দিন পর পুনরায় টেস্ট করুন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন