

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রতি বছর ২০ আগস্ট বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হয় বিশ্ব মশা দিবস। ১৮৯৭ সালের এই দিনে ব্রিটিশ চিকিৎসক স্যার রোনাল্ড রস আবিষ্কার করেন যে, স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমেই মানুষের শরীরে ম্যালেরিয়ার জীবাণু সংক্রমিত হয়।
তার এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং মশাবাহিত রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতি বছর দিনটি পালন করা হয়। পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম প্রাণীদের অন্যতম হলেও মশা মানবজাতির জন্য অন্যতম প্রাণঘাতী জীব হিসেবে গণ্য।
মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি ও সামাজিক প্রভাব
মশা শুধু বিরক্তির কারণ নয়, বরং ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকনগুনিয়া, জিকা ও ফাইলেরিয়ার মতো মারাত্মক রোগ বিস্তারের প্রধান বাহক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে মশাবাহিত রোগে লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয় এবং প্রাণ হারায়।
বিশেষ করে গ্রীষ্মমন্ডলীয় ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে অপরিকল্পিত নগরায়ন, জমা পানি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মশার বংশবৃদ্ধি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যা স্বাস্থ্যসেবা খাতের ওপর তৈরি করছে বিশাল চাপ।
প্রতিরোধ ব্যবস্থা ও নাগরিক সচেতনতা
মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, পাত্রে ৩ দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়া, রাতে ও দিনে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা এবং নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানো মশা নিয়ন্ত্রণের মূল উপায়।
ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং লার্ভা নিধনে কার্যকর অভিযান জোরদার করাই মশামুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে।


