

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিনেতা-অভিনেত্রী সাংবাদিকসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। যেখানে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমের নামও আছে।
এমন অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হিরো আলম বলেন, ‘মিথ্যা মামলা দিয়ে হিরো আলমকে দমানো যাবে না। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে আমিও অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব।’
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ) নামের একটি সংগঠনের আনা অভিযোগের প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
হিরো আলম বলেন, ‘আমি সারা জীবন আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলেছি। এর জন্য বহুবার হামলার শিকার হয়েছি, মারও খেয়েছি। অথচ এখন আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। অনেক দিন ধরেই একটি মহল আমাকে হত্যা ও সম্মানহানির চেষ্টা করছে।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘যারা আমার নামে মামলা করেছেন, তারা যদি সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে আমি তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করতে বাধ্য হব। আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। এক হিরো আলম চলে গেলে কিছুই হবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘আন্দোলনের দুই বছর পর হঠাৎ করে আমার নাম কেন মনে পড়ল? এতদিন কোথায় ছিলেন? আমি আন্দোলনের সময় ছাত্রদের পাশে ছিলাম। আমি নিজেই একজন জুলাই যোদ্ধা। এখন প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ-মামলা দেওয়া হচ্ছে।’
নিজেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে কখনো সম্পৃক্ত ছিলেন না দাবি করে হিরো আলম বলেন, ‘একটা পোস্ট দেখাতে পারবেন, যেখানে আমি আওয়ামী লীগের হয়ে ভোট চেয়েছি বা প্রচারণা চালিয়েছি? আমি বরং সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। এটাই কি আমার অপরাধ?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি অশিক্ষিত হতে পারি, যোগ্যতা কম থাকতে পারে। কিন্তু তাই বলে আমাকে নিয়ে এত টানাটানি কেন? যারা নিজেদের যোগ্য বলে দাবি করেন, তারাই তো বড় বড় দুর্নীতি করছেন। আমি সাধারণ মানুষের কথা বলি বলেই হয়তো অনেকের সমস্যা হচ্ছে।’
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন হিরো আলম। তার ভাষায়, ‘আজকাল মানুষ প্রতিবাদ করতে ভয় পায়। কারণ প্রতিবাদ করলেই মামলা, হামলা কিংবা জেলের ভয় দেখানো হয়। সংসদে জনগণের সমস্যা নিয়ে কথা না বলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিয়েই বেশি আলোচনা হয়।’
এ সময় তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অযৌক্তিক বলে দাবি করেন। এবং জুলাই আন্দোলনে তিনি কোথায় অবস্থান করেছেন তা তার ইউটিউবে আছে জানিয়ে, যার ইচ্ছে হয় সেখানে দেখে নেয়ার আহ্বান জানানা।