শনিবার
২২ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
২২ আগস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শর্মিলার ‘বন্দে মাতরম’ পাঠ অস্বস্তিকর মন্তব্যে কঙ্গনার কড়া জবাব

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
এনপিবি গ্রাফিক্স
expand
এনপিবি গ্রাফিক্স

ভারতের জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে দেশটির রাজনীতি ও সংস্কৃতি অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে গানটির কথা এবং এর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যাখ্যা।

সম্প্রতি প্রবীণ অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ভারতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বাস করেন। সবার অনুভূতি এবং ভারতের বহুত্ববাদী সমাজের কথা মাথায় রেখে গানটির প্রথম দুই স্তবকই জাতীয় গান হিসেবে গাওয়ার জন্য যথেষ্ট।

শর্মিলা ঠাকুরের মতে, পরবর্তী স্তবকগুলোতে একাধিক হিন্দু দেব-দেবীর নাম রয়েছে, যা এক ঈশ্বরে বিশ্বাসী বা অন্য ধর্মের মানুষের জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে।

তিনি মনে করেন, ১৯৩৭ সালে কংগ্রেসও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রথম দুই স্তবকই সবচেয়ে উপযুক্ত।

অন্যদিকে, এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। শর্মিলাকে ‘হিন্দু-মুসলিম মানসিকতা’ থেকে বের হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বন্দে মাতরমকে এভাবে সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা ঠিক নয়।

কঙ্গনার মতে, এটি কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক প্রতীক। শিল্প বা কবিতার অর্থ সব সময় আক্ষরিকভাবে না দেখে এর মূল চেতনাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।

মূলত ১৮৭০-এর দশকে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই গানটি ভারতের স্বাধীনতার লড়াইয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিল। তবে গানটিতে থাকা দেবী বন্দনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলাদা আলাদা মত রয়েছে।

শর্মিলা ঠাকুর যেখানে ব্যবহারিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির দিকটিকে গুরুত্ব দিয়েছেন, কঙ্গনা রানাউত সেখানে একে কেবলই জাতীয়তাবাদ ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখার পক্ষে কথা বলেছেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank