

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষার্থী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এবার মুখোমুখি সংঘাত তৈরি হয়েছে বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত এবং যোগগুরু বাবা রামদেবের মধ্যে। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের দাবির পাশে দাঁড়িয়ে রামদেব কঙ্গনার একটি বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন।
এর আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘নর্দমা ছাপ’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন কঙ্গনা। বিষয়টি নিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হলে রামদেব সরাসরি অভিনেত্রীর মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
টিভি-৯-কে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে কঙ্গনাকে মনে করিয়ে দিয়ে যোগগুরু বলেন, দেশের তরুণ ও যুবসমাজকে ‘নর্দমা ছাপ’ বলা এক ধরনের বিকৃত মানসিকতার লক্ষণ। একই সাথে তিনি কঙ্গনার অতীত জীবন, শৈশব ও যৌবনের নানা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে এনে মন্তব্য করেন, এসব বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলতেই চান না।
দেশের শিক্ষার্থীদের অসম্মান করার কারণে কঙ্গনার বিরুদ্ধে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলেও তিনি দাবি জানান।
রামদেবের এমন বক্তব্যে বেশ ক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন এই বিজেপি সাংসদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটির স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি পাল্টা লেখেন, বাবাজীকে তার যৌবন বা বেডরুম নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখতে হবে না।
তিনি রামদেবকে খোঁচা দিয়ে আরও বলেন, চিকিৎসার কার্যকারিতা নিয়ে ভুয়া বা প্রতারণামূলক দাবির কারণে তাকে অন্তত দেশের সর্বোচ্চ আদালতের ভর্ৎসনা শুনতে হয়নি, যা কোনো গুজব নয় বরং অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতেই হয়েছিল।
নিজের চরিত্রকে যোগগুরুর চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার এবং জালিয়াতিমুক্ত দাবি করে তাকে চরিত্রের জ্ঞান না দেওয়ার পরামর্শ দেন কঙ্গনা।
এই কড়া আক্রমণের পর রামদেব কিংবা বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসেনি। তবে পুরো ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এর আগেও কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার কারণে কঙ্গনাকে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার মুখোমুখি হতে হয়েছিল এবং দলীয় অসন্তোষের মুখে পড়তে হয়েছিল।


