

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর সিএমএম আদালতের প্রাঙ্গণে কোরআন শরীফ হাতে থাকা অবস্থায় আলোচিত ব্যক্তি মেঘনা আলম জানিয়েছেন যে তিনি সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সম্পর্কে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এবং তাঁর প্রদান করা উপহারগুলো ফেরত দিয়েছেন। তবে ধর্মীয় অনুভবকে সামনে রেখে তিনি রাষ্ট্রদূতের দেওয়া আল কোরআন, বোরকা ও জামাতের জায়নামাজ নিজে রেখে দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে হাজিরা দেয়ার পর ধানমণ্ডি থানার প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় পুলিশ জব্দ করা মোবাইল, আইপ্যাড ও পাসপোর্ট মেঘনার কাছে হস্তান্তর চাওয়া হলেও আদালত তা অনুমোদন করেননি।
আদালতের বাইরে গণমাধ্যমকে মেঘনা বলেন, একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের ইশারার কারণে আমাদের দেশের ন্যায়বিচারে বাঁধ পড়া ঠিক নয়-আমি তাকে প্রত্যাখ্যান করেছি এবং কেন বারবার আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে তা আমি জানি না।
তিনি অভিযোগ করেন যে তাকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং কেউ বলছে সরকার তাকে মৃত্যুদণ্ড দেবার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে; তিনি দেশের বিচারব্যবস্থার সুনাম নষ্টে উদ্বিগ্ন।
এ ঘটনায় আরও বলা হয়েছে যে সৌদি অ্যাম্বাসি তাকে একটি কোরআন উপহার দিয়েছিল, যা মেহনা উচ্চ মর্যাদার প্রতীক হিসাবে গ্রহণ করেছেন। তিনি অনুরোধ করেন যে যারা মানবিক বিবেচনা করেন, তারা তাকে এই হয়রানি থেকে মুক্তির জন্য সহায়তা করুন।
পুলিশি অভিযোগে বলা হয়েছে, মেঘনা আলম, সমির ও আরো অনিচ্ছিত পরিচিত কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি সংগঠিত প্রতারক চক্রের নাম আছে। তারা বিভিন্নভাবে বিদেশি কূটনীতিক ও দেশের উচ্চপদস্থ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে, পরে তাদের সম্মানহানির ভয়ে অর্থ আদায় করার চেষ্টা করে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
মেঘনাকে গত ৯ এপ্রিল তাঁর বাসা থেকে আটক করা হয়। পরে চাঁদাবাজির অভিযোগে রিমান্ডে রাখা ও ডিটেনশন আইনে ৩০ দিনের ছিলেন তিনি; ২৮ এপ্রিল ডিটেনশন আদেশ বাতিল হলে ওই দিনই মুক্তি পান। বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন।
মন্তব্য করুন

