

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের পক্ষপাতের অভিযোগ উঠলেও শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম মনে করছে, খারাপ নির্বাচন হলেও জাকসু থাকা, না থাকার চেয়ে ভালো।
শুক্রবার দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার জন্য জাকসু জরুরি। এ প্রক্রিয়া ভেঙে গেলে আবারও দীর্ঘ সময়ের জন্য সংকটে পড়বে বিশ্ববিদ্যালয়।
একই প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী আবু তৌহিদ সিয়াম জানান, তারা নির্বাচন থেকে সরে আসছেন না। তাঁর ভাষায়, “প্রশাসন বরাবরই নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছে। এবারও যদি ভোট স্থগিত হয় তবে আবারও ৩৩ বছরের অচলাবস্থা ফিরে আসবে।”
সংবাদ সম্মেলনে ঐক্য ফোরামের নেতারা বলেন, ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট নিয়োগের বিষয়টি শেষ মুহূর্তে জানানো হয়েছে। পর্যবেক্ষক (অবজারভার) না থাকার সিদ্ধান্ত ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
প্রার্থীদের আইডি কার্ড ও অন্যান্য প্রস্তুতিতে অব্যবস্থাপনা ছিলো স্পষ্ট। ডোপ টেস্টসহ হঠাৎ করে একজন ভিপি প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলও বিতর্ক তৈরি করেছে।
তাদের দাবি, এসব প্রমাণ করে নির্বাচন কমিশন অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের বর্জনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। খারাপ নির্বাচন হলেও গণতান্ত্রিক ধারার সূচনা হোক।
আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, যে সাড়ে সাত হাজার শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমাদের সম্মান রয়েছে। এ কারণেই আমরা নির্বাচন বর্জন করিনি। তবে নির্বাচন কমিশনের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, ৩৩ বছর জাকসু ছিল না, তাই গণতান্ত্রিক চর্চা থমকে ছিল। খারাপ নির্বাচন হলেও অন্তত ধারাবাহিকতা তৈরি হোক। ভবিষ্যতে এটিকে আরও উন্নত করা যাবে।
ফলাফল মেনে নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, প্রশাসনের উদ্দেশ্য ছিল জাকসু বানচাল করা, কিন্তু তা হয়নি। তাই যাই ফল আসুক আমরা মেনে নেব। কারণ আবারও নির্বাচন বন্ধ হলে দীর্ঘ অপেক্ষায় পড়তে হবে।
মন্তব্য করুন
