

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে দীর্ঘ ৩৩ বছর পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দিচ্ছেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হল সংসদের নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
গত কয়েক মাস ধরে প্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। এবারের নির্বাচনকে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য করে তুলেছে নির্দলীয় সরকারের অধীনে আয়োজন এবং দখলদারহীন পরিবেশ। ডাকসুতে ছাত্রশিবিরের জয়কে কেন্দ্র করে এবার জাকসু নিয়েও দেশজুড়ে আলোচনা চলছে।
মোট ২১টি হলে ২২৪টি বুথে ভোট হচ্ছে। এর মধ্যে ১০টি ছাত্রী হল ও ১১টি ছাত্র হল। প্রতিটি কেন্দ্রে রয়েছেন একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৬৭ জন পোলিং অফিসার এবং সমপরিমাণ সহকারী পোলিং অফিসার। ভোটাররা কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪০টি ব্যালটে ভোট দেবেন। ফলাফল গণনা হবে বিশেষ ওএমআর মেশিনে।
ভোটের সার্বিক নিরাপত্তায় প্রায় ১ হাজার ২০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন, যাদের মধ্যে পোশাক ও সিভিল উভয়েই রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীও কেন্দ্রে মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া মাঠে কাজ করছেন দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট।
এবারের নির্বাচন জাহাঙ্গীরনগরের ১০ম জাকসু নির্বাচন। প্রায় ১১ হাজার ৯০০ শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে অন্যতম বড় গণতান্ত্রিক অনুশীলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে মোট ৮টি পূর্ণাঙ্গ ও আংশিক প্যানেল। এর মধ্যে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল, ছাত্রশিবিরের ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’, বাগছাসের ‘সম্মিলিত ঐক্য ফোরাম’, ছাত্র ইউনিয়নের দুটি অংশের পৃথক প্যানেল ও আরও তিনটি স্বতন্ত্র প্যানেল।
শিক্ষার্থীরা ভোটদানে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, সামাজিক কার্যক্রম, জুলাই আন্দোলনের চেতনা এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা বিবেচনায় নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন
