

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ ভোটগ্রহণ শেষে বিভিন্ন অভিযোগ করে ছাত্রদল প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান জরুরি সংবাদ সম্মেলেন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেছেন, ‘আমরা যখনই কোনো কেন্দ্রে গিয়েছি, আমাদের বারবার এতিমের মতো দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। আমাদের সময় নষ্ট করানো হয়েছে।’
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে জরুরি সংবাদ সম্মেলেন তিনি এসব অভিযোগ করেন।
আবিদুল বলেন, ‘গত সোমবার যেভাবে সাইবার হামলা হয়েছে, তেমনি আজ সকাল থেকেই নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে। প্রার্থীদের কেন্দ্রে ঢোকার অনুমতি থাকলেও রির্টানিং অফিসারাও এমন অপপ্রচারে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন ভিপি প্রার্থী। আবিদুল বলেন, ‘আগে থেকে পূরণ করা ব্যালট থাকার অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দুটি কেন্দ্রে এমন অভিযোগ এসেছে, সুতারং আরও কেন্দ্রে রয়েছে।’
তিনি বলনে, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ১২টি অভিযোগ দিয়েছে কিন্তু একটারও সমাধান হয়নি।’ ডাকসু নির্বাচনে জুলাই গণ-অভুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি মন্তব্য করে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ধৈর্যধারণ করা হয়েছে। তবে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, যদি ভোট ম্যানুপুলেট করার চেষ্টা হয়, তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ করবে।’
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আট কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দেন।
যদিও সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ থাকলেও প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে একে অপরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভাঙা, ভোট কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। শেষ মুহূর্তে এসে বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্ট সমর্থিত ভিপি প্রার্থী তাহমিনা আক্তার নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮৭৪। এর মধ্যে পাঁচটি ছাত্রী হলে ১৮ হাজার ৯৫৯ এবং ১৩টি ছাত্র হলে ২০ হাজার ৯১৫ জন ভোটার।
ডাকসুর ২৮ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭১ জন প্রার্থী। পাশাপাশি ১৮টি হলে প্রতিটি সংসদে ১৩টি করে মোট ২৩৪ পদে লড়ছেন ১ হাজার ৩৫ জন। এবারের নির্বাচনে অন্তত ১০টি পূর্ণাঙ্গ ও আংশিক প্যানেল অংশ নেয়, সঙ্গে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও।
মন্তব্য করুন
