রবিবার
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যাঁরা 

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লোগো
expand
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লোগো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন ও সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে বিএনপির ভেতরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রগুলো জানায়, চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। তাছাড়া আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারী নতুন মন্ত্রীসভা সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছোট আকারের কিন্তু কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২০ থেকে ২২ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা করার কথা ভাবা হচ্ছে।

প্রার্থী বাছাইয়ে তিনটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হলো, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা। পাশাপাশি দুই থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞকে টেকনোক্র্যাট কোটায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

জানা গেছে, এরই মধ্যে মন্ত্রীসভায় জায়গা পেতে দলীয় পর্যায়ে ব্যাপক যোগাযোগ ও তৎপরতা শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যই মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

সম্ভাব্য তালিকায় যাঁদের নাম শোনা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

এ ছাড়া সম্ভাব্য মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আরও যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাঁদের মধ্যে আছেন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আমান উল্লাহ আমান, খন্দকার মোক্তাদির, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, রেজা কিবরিয়া, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আফরোজা খানম রিতা, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদিন ফারুক, মিজানুর রহমান মিনু, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জহির উদ্দিন স্বপন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, রকিবুল ইসলাম বকুল শরীফুল আলম, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, নজরুল ইসলাম আজাদ, জি কে গউছ, ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জাকারিয়া তাহের সুমন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, এ কে এম ফজলুল হক মিলন, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, রফিকুল আলম মজনু, ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, সাইদ আল নোমান, হাবিবুর রশিদ হাবিব, এস এম জিলানী, খন্দকার আবু আশফাক, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, দীপেন দেওয়ান, নুরুল ইসলাম নয়ন, এইচএম সাইফ আলী খানের নাম আলোচনায় রয়েছে।

টেকনোক্র্যাট কোটায় অন্তর্ভুক্তির সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, রুহুল কবির রিজভী, অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, মাহদী আমিন ও আমিনুল হক।

জোটসঙ্গীদের মধ্য থেকেও কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাঁদের মধ্যে আছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার।

দলীয় নীতিনির্ধারকদের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন মন্ত্রিসভা কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোয় গড়ে তোলা হবে। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কারা পাবেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি পদ নিয়েও দলীয় মহলে আলোচনা রয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম যেমন ঘুরছে, তেমনি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামও আলোচনায় আছে।

তবে এসব বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। দলীয় সূত্র বলছে, সবদিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর অপেক্ষায় এখন রাজনৈতিক অঙ্গন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X