


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচনের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদের নেতৃত্বাধীন ডাকসু কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে গত এক বছরে ডাকসুর কার্যক্রম, অর্জন ও ব্যর্থতা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-পর্যালোচনা।
ডাকসু নেতাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে সীমিত বরাদ্দ পেলেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সর্বোচ্চ কাজ করার চেষ্টা করেছেন তারা। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পেলেও বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে স্পন্সর ও সহযোগিতা নিয়ে গত এক বছরে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকার কাজ করেছে ডাকসু।
ডাকসু সূত্রে জানা যায়, গত এক বছরে শিক্ষার্থীদের আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবহন, প্রযুক্তি ও ক্যারিয়ারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আবাসিক হলগুলোর রিডিংরুমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু, বিভিন্ন হলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে এসির ব্যবস্থা, ছাত্রীদের জন্য জিমনেশিয়াম উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ রয়েছে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাকরির সুযোগ তৈরিতেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ডাকসু।
আবাসন ও অবকাঠামোয় বড় উদ্যোগ
ডাকসুর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে আশানুরূপ বাজেট বা সহযোগিতা না পেলেও করপোরেট স্পন্সর ও নিজস্ব তহবিলের মাধ্যমে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকার ফান্ড সংগ্রহ করে ছোট-বড় প্রায় ১ হাজারটি উদ্যোগ ও কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
ডাকসুর কার্যক্রমের মধ্যে অবকাঠামো ও আবাসন উন্নয়নকে অন্যতম বড় ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ছয়টি হলের জন্য প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানায় ডাকসু। পাশাপাশি চীনা সহযোগিতায় ১ হাজার ৫০০ ছাত্রী ধারণক্ষমতার নতুন একটি হল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিভিন্ন আবাসিক হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপনে প্রায় ৬ কোটি টাকার কাজও চলমান রয়েছে।
কেন্দ্রীয় মাঠের উন্নয়নে প্রায় ৩ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় মসজিদ সংস্কারে ৩ কোটি টাকা এবং প্রত্নতাত্ত্বিক মুসা খাঁ মসজিদ সংস্কারে প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে বলে ডাকসু জানিয়েছে। এ ছাড়া মেয়েদের জিমনেশিয়ামের উন্নয়নে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা এবং আবাসিক হলগুলোতে কম্পিউটার ও অন্যান্য ল্যাব স্থাপনে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে।
পরিবহন ও স্বাস্থ্যসেবায় উদ্যোগ
শিক্ষার্থীদের পরিবহনসেবা উন্নয়নে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার কাজ করা হয়েছে বলে দাবি ডাকসুর। এর মধ্যে নতুন কয়েকটি রুট চালুর পাশাপাশি কুমিল্লা পর্যন্ত বাসসেবা চালু করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে মেডিকেল সেন্টারের অবকাঠামো সংস্কারে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। তুর্কি কো-অপারেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন এজেন্সির (টিকা) সহযোগিতায় প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে অ্যাম্বুলেন্স, এক্স-রে ও ইসিজি মেশিন সরবরাহ এবং সংস্কারকাজ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ফার্স্ট এইড বুটক্যাম্প এবং কয়েকটি মেডিকেল ক্যাম্পে ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। হলগুলোতে মোট ১৮ বার ছারপোকা নিধনে ওষুধ প্রয়োগ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধেও কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৭০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে ডাকসু সূত্রে জানা যায়।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক অনুষ্ঠানে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘আমরা যে বাজেট পেয়েছি, সেই বাজেটের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি কাজ করেছি।’ তিনি জানান, প্রথমে ২৫ লাখ টাকা এবং পরবর্তীতে আরও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে স্পন্সর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকার কাজ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪৮-৪৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্পও উদ্বোধন হয়েছে। চীনা সরকারের সহযোগিতায় নারী শিক্ষার্থীদের জন্য হল নির্মাণের বিষয়েও ডাকসু কাজ করছে।
ক্যারিয়ার ও দক্ষতা উন্নয়ন
ডাকসুর কার্যক্রমের মধ্যে বিভিন্ন সেমিনার, সামিট ও সাংস্কৃতিক আয়োজনও রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে ডাকসুর সম্পাদকরা প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন বলে জানা গেছে।
শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিনামূল্যে বিভিন্ন কোর্সে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। জব ফেয়ারের মাধ্যমে চীনের ৩১টির বেশি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪৩০ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে বলেও দাবি ডাকসুর।
গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সাতটি প্রসিদ্ধ জার্নালে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে প্রবেশাধিকার দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ
নারী শিক্ষার্থীদের জন্য কলাভবনে ব্রেস্টফিডিং কর্নার, মেয়েদের কমনরুমে এসি স্থাপন ও ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে জিমনেশিয়ামের উন্নয়ন করা হয়েছে বলে ডাকসু জানিয়েছে।
এ ছাড়া প্রায় ১ হাজার নারী শিক্ষার্থীকে হিজাব উপহার, মাতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা এবং ছাত্রী হলগুলোতে বিনামূল্যে ১০ হাজারের বেশি স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়েছে।
ডাকসুর দ্বিতীয় কার্যনির্বাহী সভায় শেখ হাসিনার আজীবন সদস্যপদসংক্রান্ত এখতিয়ারবহির্ভূত রেজুলেশন বাতিলের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
অর্জনের পাশাপাশি রয়েছে অসন্তোষ
ডাকসুর এসব কার্যক্রমকে অনেকে সাফল্য হিসেবে দেখলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তাদের একাংশের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহারের অনেক প্রতিশ্রুতিই এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
ঢাবি শিক্ষার্থী ইফতেখার হাসান তানভীরের মতে, বর্তমান ডাকসু এখন পর্যন্ত বেশ সফলভাবেই দায়িত্ব পালন করছে। কেন্দ্রীয় মসজিদের সংস্কার, দ্রুত সময়ে হলের সিট প্রদান, মেডিকেল সেন্টারের জরুরি বিভাগ নিচতলায় স্থানান্তরের উদ্যোগ এবং ছাত্রীদের জন্য জিমনেশিয়ামের ব্যবস্থা—এসবকে তিনি শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তবে হলের খাবার, আবাসন ও পরিবহনসহ কিছু সমস্যা এখনো রয়ে গেছে বলে জানান তিনি। চলমান প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে ডাকসুর প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থা আরও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
অন্যদিকে, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের (এফবিএস) শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডাকসুর কার্যক্রম নিয়ে তুলনামূলক অসন্তোষ রয়েছে। মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী নায়েম ইসলাম সিয়াম বলেন, এফবিএসে ডাকসুর তেমন কোনো কার্যক্রম তার চোখে পড়েনি।
তার অভিযোগ, ই-লাইব্রেরি সংস্কার করে চালু করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। লিফট মেরামতের বিষয়টিও সমাধান হয়নি। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জব ফেয়ার, বিজনেস কেস স্টাডি, বিজনেস কম্পিটিশন ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়নি। এফবিএসের ক্লাসরুম সংকট সমাধানের বিষয়টিও এখনো বাস্তবায়িত হয়নি বলে জানান তিনি।
তার মতে, এফবিএসের তুলনায় কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে ডাকসুর কার্যক্রম বেশি দৃশ্যমান।
পরিবহন ও কমনরুম নিয়েও অভিযোগ
সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ডাকসুর কার্যক্রম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাদের অভিযোগ, আগে বিভাগটির জন্য নির্দিষ্ট কোনো বাস ছিল না। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ একটি বাসের ব্যবস্থা করলেও বর্তমানে অধিকাংশ সময় তারা ওই বাসের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
ছাত্রীদের কমনরুমের বিষয়টি ডাকসুর ইশতেহারে থাকলেও গত তিন থেকে চার মাস ধরে সেটি বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। কমনরুমের ওয়াশরুমও ব্যবহার অনুপযোগী বলে দাবি তাদের। এ ক্ষেত্রে ইনস্টিটিউট প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলেও মনে করেন তারা।
এ ছাড়া সমাজকল্যাণ বিভাগের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায়ও অসন্তোষ রয়েছে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা থাকলেও সমস্যাটি পুরোপুরি সমাধান হয়নি বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন
বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি ডাকসুকে তার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একটি অংশের অভিযোগ, ছাত্র সংসদের কয়েকজন নেতা লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন বলে অবস্থান নিলেও পরবর্তীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে।
কলা অনুষদের শিক্ষার্থী মিরাজ মজুমদার বলেন, ডাকসু প্যানেল দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে কি না, তা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। ১৯৭১-এর বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বিতর্কিত বয়ান তৈরির মতো বিষয়গুলোও সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ভালোভাবে নেয়নি বলে জানান তিনি।
‘এই কাজগুলো বিশ্ববিদ্যালয়-সিটি করপোরেশনের করার কথা ছিল’
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম দাবি করেন, ডাকসু যে কাজগুলো করেছে, সেগুলোর অনেকগুলোই মূলত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, রাষ্ট্র ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
তিনি বলেন, ‘এই কাজগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের ছিল, এটা রাষ্ট্রের ছিল এবং আমাদের এখানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নামে একটা করপোরেশন আছে, তাদের ছিল। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সব জায়গায় লুটপাট ছাড়া আর কিছু নাই।’
স্বাস্থ্য খাতের সাম্প্রতিক উদ্যোগের উদাহরণ দিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসুর উদ্যোগে আয়োজিত হেলথ ফেস্টের আর্থিক মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকার বেশি। সেখানে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন এবং পরবর্তী ফলোআপের ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, পরীক্ষা ও ওষুধসংক্রান্ত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
দায়িত্ব শেষে আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশের ঘোষণা
মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন প্রতিনিধি সংবর্ধনার মাধ্যমে পুরো বছরের কাজের হিসাব তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, বছরজুড়ে কী কী কাজ করা হয়েছে, ইশতেহারে কী ছিল এবং ইশতেহারের বাইরে কী কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—সবকিছু তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে ডাকসুর আয়-ব্যয়ের সামগ্রিক হিসাবও প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।
ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, আগের ডাকসুগুলোতে রাজনৈতিক আধিপত্যের প্রবণতা ছিল। তার দাবি, তাদের প্যানেলে বাম, সাধারণ ও স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। বিভিন্ন হলে ছাত্রশক্তি, ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের প্রতিনিধিত্বও ছিল। তবে ডাকসুকে কোনো দলের কার্যালয়ে পরিণত হতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
নির্বাচনের এক বছর
২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সাদিক-ফরহাদ নেতৃত্বাধীন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ ২৮টি পদের মধ্যে ২৩টিতে জয়ী হয়। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে নির্বাচিত ডাকসু নেতারা শপথ নেন ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিনই বর্তমান কমিটির এক বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।