

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাবেক ছাত্রনেতা ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম সংগঠক শহীদ সাগীর আহমেদের ২১তম শাহদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে সাগীর আহমেদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচতলায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সাগীর আহমেদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শহীদ সাগীর আহমেদের সহধর্মিণী নাসিমা আক্তার রুমি আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘সাগীর আহমেদ এমন একজন মানুষ ছিলেন, যিনি বড়দের শ্রদ্ধা করতেন আর ছোটদের স্নেহ করতেন। তিনি ছিলেন উদার মনের একজন মানুষ। আমি আপনাদের কাছে শুধু একটি অনুরোধ করব—তাকে যেন কখনো ভুলে না যান। আমাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে, আমরা ভালো কাজের মাধ্যমে তাকে স্মরণে রাখতে চাই। আমি জানি, আপনারা তাকে হৃদয়ে ধারণ করেন। ভবিষ্যতেও তাকে একইভাবে স্মরণ করবেন—এটাই আমার প্রত্যাশা।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক সাবেক ছাত্রনেতা স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘সাগীর ভাই শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন কর্মীদের অভিভাবক। তিনি সবসময় অন্যের উপকারে এগিয়ে আসতেন এবং সংগঠনের প্রয়োজনে নিজের স্বার্থকে কখনো প্রাধান্য দেননি। তাঁর আদর্শ ও ত্যাগ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘শহীদ সাগীর আহমেদের আপসহীন মানসিকতার কারণেই ঢাকা মহানগরে জাতীয়তাবাদী আদর্শ সুদৃঢ় ভিত্তি পেয়েছে। তৎকালীন ছাত্রদলের যেসব সিপাহসালার নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। জগন্নাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের আন্দোলনেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। জাতীয়তাবাদী আদর্শ প্রতিষ্ঠায় তিনি নিজের জীবনের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন। তিনি আমাদের উজ্জ্বল নক্ষত্র, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আদর্শ। আমরা প্রতি বছর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে স্মরণ করব।’
আলোচনা সভা শেষে শহীদ সাগীর আহমেদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।