বৃহস্পতিবার
২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবাসিক শিক্ষার্থীদের প্রীতিভোজ, গার্ডদের জন্য ২টি গরু দিল শাবিপ্রবি প্রশাসন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৮ মে ২০২৬, ০৭:২২ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি নিরাপত্তা প্রহরীদের জন্য ২টি গরু দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি ছাত্র ও ছাত্রী হল- শাহপরান হল, বিজয় ২৪ হল, সৈয়দ মুজতবা আলী হল, আয়েশা সিদ্দিকা হল, বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হল এবং ফাতিমা তুজ জাহরা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।

প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে নানা কারণে অনেক শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করেন। বিশেষ করে দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থী, ভিন্ন ধর্মাবলম্বী এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে থাকা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এই ছুটিতেও ক্যাম্পাসে থেকে যান। ঈদের দিনে শিক্ষার্থীরা যাতে একাকিত্ব অনুভব না করেন এবং উৎসবের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ খায়রুল ইসলামের নির্দেশে প্রশাসন এই উদ্যোগ নিয়েছে।

এই আয়োজন সফল করতে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন শাহপরান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিএম রবিউল ইসলাম, সহকারী প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. বেলাল হোসাইন শিকদার, এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কালাম আহমদ চৌধুরী।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই উদ্যোগকে শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। হলে অবস্থানরত কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ঈদের মতো বড় উৎসবে পরিবারের বাইরে থাকাটা বেশ কষ্টের। তবে প্রশাসনের এমন আন্তরিক উৎসব মুখর প্রীতিভোজের আয়োজনের উদ্যোগ তাদের সেই একাকিত্ব অনেকটাই দূর করে দেয় যা ঈদের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, ঈদ আনন্দ ও সম্প্রীতির উৎসব। আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা যেন পরিবার থেকে দূরে থেকেও ঈদের আনন্দ অনুভব করতে পারে, সে লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরীদের জন্য ২টি গরু দেওয়া হয়েছে। এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন