

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের হয়ে ২২২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা। তাদের মধ্যে ১০ জন প্রার্থী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক শিক্ষার্থী। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন প্রখ্যাত ওয়ায়েজ মুফতি আমির হামজা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ড. মান্নানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ।
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, ’৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও জুলাই অভ্যুত্থানের বাতাসে বয়ে চলা ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
নির্বাচনে জামায়াতের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা হলেন— আল-কোরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের (১৯৮৫–৮৬) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট নাজমুল হক সাঈদী— জামালপুর-০১ আসন, একই শিক্ষাবর্ষের ড. সামিউল হক ফারুকী— জামালপুর-০২ এবং (২০০৯–১০) শিক্ষাবর্ষের মুফতি আমির হামজা— কুষ্টিয়া-০৩ আসন।
আইন বিভাগের (১৯৮৭–৮৮) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল- জামালপুর-০৪ আসন, (১৯৯২–৯৩) শিক্ষাবর্ষের ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম— ঢাকা-০১, (২০০২–০৩) শিক্ষাবর্ষের অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল- চুয়াডাঙ্গা-০১ এবং মাসুম মোস্তফা- নেত্রকোনা-০৫ আসন।
এছাড়া রয়েছেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের (১৯৯৭–৯৮) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ড. মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান— ঢাকা-০৬, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের (২০০২–০৩) শিক্ষাবর্ষের মো. ওবায়দুল্লাহ কায়ছার- নড়াইল-০১ আসন এবং সর্বশেষ অর্থনীতি বিভাগের (১৯৯৬–৯৭) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান— নওগাঁ-০৩ আসন।
জানা গেছে, শিক্ষাজীবনে তারা সবাই ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ বিষয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির ইবি শাখার বর্তমান সভাপতি মো. ইউসুফ আলী এনপিবি নিউজকে বলেন, “আমরা আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করছি; তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন সাবেক শিক্ষার্থীকে জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রার্থী হওয়ার তৌফিক দান করেছেন। একই সঙ্গে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতি, যারা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে গুরুত্ব দিয়ে ইবির সাবেক (অ্যালামনাই) ভাইদের যোগ্য হিসেবে মূল্যায়ন করে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমরা দেখেছি, ক্যাম্পাসের অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠন তাদের কর্মীদের সঠিক মূল্যায়নে অনেক পিছিয়ে।”
বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, “মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী সকল প্রার্থীই যথেষ্ট ভালো অবস্থানে রয়েছেন। আমরা আশাবাদী, নির্বাচনে সবাই বিজয় লাভ করে সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হবেন। তাদের সেই সফলতার হাত ধরেই দেশ ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তার মৌলিক আকাঙ্ক্ষা ও বিরাজমান চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে এগিয়ে যাবে— ইনশা-আল্লাহ।”
মন্তব্য করুন