

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিদ্যা, কলা ও সংগীতের দেবী সরস্বতী পূজা (বাণী অর্চনা)।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে পূজা শুরু হয়, যা এখনো চলমান রয়েছে।
এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৯টি বিভাগের মধ্যে ৩৭টি বিভাগ পৃথক মণ্ডপে সরস্বতী পূজার আয়োজন করেছে।
জানা যায়, প্রতি বছর শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যা, কলা ও সংগীতের দেবী সরস্বতীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। দেবীর আহ্বানের মাধ্যমে পূজা শুরু হয়ে পুষ্পাঞ্জলি ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে তা শেষ হয়।
পূজায় অংশ নেওয়া ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী স্মৃতি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে আজকের দিনটি উদযাপন করছি। অন্যান্য ধর্মাবলম্বী বন্ধুদেরও আমন্ত্রণ জানিয়েছি, তারা এসেছেন। সবাই মিলে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করছি। খুব ভালো লাগছে।’
বাংলা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী হৃদয় রায় বলেন, ‘দেবী সরস্বতী বিদ্যা, সংগীত ও কলার দেবী। প্রতি বছর এই পূজার মাধ্যমে আমরা প্রার্থনা করি যেন সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারি এবং আমাদের ভেতরে থাকা সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত হয়।’
ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী তটিনী রায় তিথি বলেন, ‘বছরের এই একটি দিনেই আমরা সরস্বতী পূজা করি। সারা বছর যেন সঠিকভাবে জ্ঞানার্জন করতে পারি-এই প্রার্থনাই করি। ক্যাম্পাসের এমন আনন্দময় পরিবেশ উপভোগ করছি।’
পূজা কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, ‘সকাল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে এবারের মা সরস্বতীর পূজা পালিত হচ্ছে।
পূজা কমিটির সভাপতি হিসেবে সার্বিক সহযোগিতার জন্য আমি প্রক্টরিয়াল বডি ও জকসু কমিটিকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে জকসুর সংস্কৃতি সম্পাদক তাকরিমের সহযোগিতা প্রশংসনীয়।’
পরিদর্শন শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘খুবই জাঁকজমক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনার সঙ্গে সরস্বতী পূজা উদযাপন হচ্ছে। আমি প্রত্যেকটি মণ্ডপে পরিদর্শন করেছি।
সকল সনাতনী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন। সাড়ম্বরে পালনের জন্য এবার আমরা গতবারের তুলনায় বাজেট বৃদ্ধি করেছি।
মন্তব্য করুন
