

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) জীববিজ্ঞান অনুষদ এবং আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদভুক্ত বিভিন্ন বিভাগের ১২জন মেধাবী শিক্ষার্থী জাপানের নাগাও ন্যাচারাল এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশন (এনইএফ) বৃত্তি লাভ করেছেন।
ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বুধবার (২১ জানুয়ারি) নিজ কার্যালয়ের সভা কক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন।
উপাচার্য বলেন," সামাজিক ঐক্য জোরদার এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে এসময় আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আসফাক আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এনইএফ স্কলারশিপ প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন এবং ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁঞা উপস্থিত ছিলেন।
এনইএফ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- জান্নাতুল মাওয়া মমিতা (উদ্ভিদ বিজ্ঞান), সাঈদা ফারহা শাহরিন (উদ্ভিদ বিজ্ঞান), সুহানা মৌরিন (উদ্ভিদ বিজ্ঞান), মো. মাজহারুল ইসলাম (মৎস্যবিজ্ঞান), জিন্নাতুল ইসলাম প্রত্যাশা (ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স), মারুফা পারভিন কারিনা (ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স), জয়িতা সাহা (অণুজীব বিজ্ঞান), মো. তাহসিন রেজা অনন্ত (মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ), মোসা. সারা মনি (ভূগোল ও পরিবেশ), মো. রাজীব (আবহাওয়া বিজ্ঞান), মনীষা দে (সমুদ্রবিজ্ঞান) এবং নোশিন তাসফিয়া মুনা (প্রাণিবিদ্যা)।
উল্লেখ্য, উন্নয়নশীল দেশসমূহে বিশেষ করে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রকৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালে নাগাও ন্যাচারাল এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশন (এনইএফ) প্রতিষ্ঠিত হয়। এলক্ষ্যে এনইএফ কর্তৃপক্ষ পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিষয়ে অধ্যয়নে আগ্রহী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করে। প্রতি বছর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এনইএফ কমিটি জীববিজ্ঞান অনুষদ এবং আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহ্বান করে। পরবর্তীতে, এই কমিটি একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করে।
বৃত্তিপ্রাপ্তরা প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করবেন এবং সেই জ্ঞান ভবিষ্যতের কর্ম জীবনে প্রয়োগ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন
