

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ বৃদ্ধি ও আরও দুটি দাবিতে চলমান আন্দোলনে থাকা শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ করতে রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে প্রেসক্লাব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান ও লাঠিচার্জ ব্যবহার করে। এ ঘটনায় শিক্ষকরা চারদিকে ছড়িয়ে পড়েন।
ঘটনাটি ঘটে বেলা পৌনে ২টার দিকে, যখন রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলনে থাকা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর পুলিশ ব্যবস্থা নেয়। শিক্ষকদের আন্দোলন প্রতিহত করতে প্রথমে জলকামান ব্যবহার করা হয়, এরপর সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয় এবং লাঠিচার্জ চালানো হয়।
আক্রমণের পর কেউ প্রেসক্লাব এলাকা ছেড়ে বিভিন্ন দিক দিয়ে সরে যান, কেউ শহীদ মিনারের দিকে অবস্থান নিতে চলে যান। আন্দোলনকারীদের একটি অংশ পরে শহীদ মিনারে জড়ো হতে থাকেন।
শিক্ষকদের একজন জানান, শহীদ মিনারে অন্য শিক্ষকরাও আসছেন এবং সেখানেই আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ চালিয়ে যাবেন তারা।
এর আগে, প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন "এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট" এর সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ ঘোষণা দেন।
তবে অবস্থান কর্মসূচি নিয়ে শিক্ষকদের ভেতর মতভেদ দেখা দেয়।
একপক্ষ শহীদ মিনারে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানালেও, অন্যপক্ষ সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রার দাবিতে প্রেসক্লাবেই অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। ফলে আন্দোলনকারী শিক্ষকরা বিভক্ত হয়ে পড়েন—একদল প্রেসক্লাব এলাকায়, অন্যদল শহীদ মিনারে অবস্থান নেন।
শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, তাদের অন্যতম প্রধান দাবি হলো, বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ হার কার্যকর করা। পূর্বেও একাধিকবার এ বিষয়ে আশ্বাস পেলেও বাস্তবায়ন হয়নি। এবার তারা লিখিত আদেশ (প্রজ্ঞাপন) ছাড়া আন্দোলন থেকে ফিরবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনার পর জানানো হয়েছে, আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে বাড়িভাড়া সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। যদিও কোন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, তা পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি। আলোচনাটি শুরু হয় সকাল ১১টা ২০ মিনিটে।
মন্তব্য করুন
