

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিশেষ নজরদারিতে তিন আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট, ৪৪ পিস ভেপ ও ১৪৪ পিস মোবাইল ডিসপ্লে আটক করা হয়েছে। আটক পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্ট সার্কেলের বি-শিফটের কর্মকর্তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আগত সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি চালান।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের EK584 ফ্লাইটের যাত্রী আবদুল করিম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার ব্যাগেজ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তল্লাশি করা হয়। পরে ব্যাগেজ ইনভেন্টরি করে সেখান থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট আটক করা হয়।
একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে আসা এয়ারএশিয়ার AK71 ফ্লাইটের যাত্রী শেপনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৪৪ পিস ভেপ উদ্ধার করেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
এদিকে, গুয়াংজু থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের BS326 ফ্লাইটের দুই যাত্রীর ব্যাগেজ থেকেও বিপুল পরিমাণ মোবাইল ডিসপ্লে আটক করা হয়। ওই ফ্লাইটের যাত্রী কে এম তোফায়েল আহমেদের কাছ থেকে ৯৮ পিস এবং একই ফ্লাইটের যাত্রী শামীমা আক্তারের কাছ থেকে আরও ৪৬ পিস মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট ১৪৪ পিস মোবাইল ডিসপ্লে আটক করা হয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, একদিনে দুবাই, মালয়েশিয়া ও গুয়াংজু থেকে আগত তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে এসব পণ্য আটক করা হয়। আটক পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।
কর্মকর্তারা জানান, এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের হয়ে পণ্য বহন করছিলেন কি না, তাদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত—তা খতিয়ে দেখা হবে। চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করতে কাস্টমস গোয়েন্দার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে।

