

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


লাইফ সাপোর্টে থাকা নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)-এর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই স্থিতিশীল।
তার শ্বাসকষ্ট কমে এসেছে। কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহের মাত্রাও ধীরে ধীরে কমিয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে তার সচেতনতার মাত্রা (কনশাসনেস লেভেল) বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে এ তথ্য জানা গেছে।
এনপিএ-এর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য সচিব সজীব তানভীর জানান, মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে। তার রক্তচাপ, পালসসহ অন্যান্য শারীরিক পরামিতিও স্থিতিশীল রয়েছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
মেঘমল্লার বসুর সুচিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সাত সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডে বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ চারজন অধ্যাপক ও তিনজন সহযোগী অধ্যাপক রয়েছেন। ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান নিজে তার পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়া তদারকি করছেন।
মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা হলেন- মেডিসিন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. মো. শফিকুল বারি, এমআইসিইউর প্রধান প্রফেসর ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ মনোয়ার আলী, মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর ডা. হাফিজুর রহমান এবং রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর ডা. মো. আমিনুল ইসলাম। বোর্ডে নাম প্রকাশ না হওয়া আরও তিনজন সহযোগী অধ্যাপক রয়েছেন।
মেঘমল্লার বসুর চিকিৎসার বিষয়ে ঢামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন এনপিএ-এর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য সচিব সজীব তানভীর।
উল্লেখ্য, সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেট এলাকা থেকে অচেতন অবস্থায় মেঘমল্লার বসুকে উদ্ধার করা হয়। বিষক্রিয়ার আশঙ্কায় প্রথমে তার পাকস্থলী পরিষ্কার (স্টমাক ওয়াশ) করা হয়। পরে মঙ্গলবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। বুধবার সন্ধ্যায় তার অবস্থার আরও অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।



