বুধবার
১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বুধবার
১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ময়লা অপসারণের নামে ১৫০ টাকা নেয়া, অথচ যারা ময়লা পরিবহন করেন তারা পান মাত্র ৪০ টাকা’

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
রাজধানীতে ময়লা অপসারণের চিত্র-ফাইল ছবি
expand
রাজধানীতে ময়লা অপসারণের চিত্র-ফাইল ছবি

রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ময়লা পরিবহণ নিয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন। তিনি বলেন, ঢাকায় ময়লা অপসারণে ব্যাপক চাঁদাবাজি হচ্ছে। এর প্রতিবাদ করায় তার ওপর হামলা করা হয়।

রোববার (৮ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে এমন অভিযোগ করেন আব্দুল বাতেন। এ সময় আহত তরুণ তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

এমপি আব্দুল বাতেন বলেন, আমি ঢাকা-১৬ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। নির্বাচনের পর থেকে লক্ষ্য করছি, আমি যেখানেই যাচ্ছি, আমার প্রতিপক্ষ দল বা পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমনকি আমি মসজিদে গেলেও সেখানে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বাইরে যেকোনো কর্মসূচিতে গেলেও একই ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এমপি বলেন, আমি বুঝতে পারছি না, একটি গণতান্ত্রিক সমাজে এ ধরনের আচরণ কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আমি একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য। জনগণের কাছে যাওয়াটা আমার দায়িত্ব। আমি মানুষের কাছে যাব, তাদের সমস্যা-অভিযোগ শুনব-এটাই স্বাভাবিক।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখানে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় একটি মহল ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসীর কাছ থেকে ময়লা অপসারণের নামে ১০০, ১২০ বা ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়, অথচ যারা ময়লা পরিবহন করেন তারা পান মাত্র ৪০ টাকা। বাকি অর্থ স্থানীয় কিছু নেতা ভোগ করেন। এই বিষয়গুলোতে ব্যবস্থা নেওয়ার পর থেকেই তারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে আক্রমণাত্মক আচরণ করছে।

এর প্রতিকার চেয়ে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব।

পুলিশের ভূমিকা তুলে ধরে কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন বলেন, আজ আমার সঙ্গে পুলিশও ছিল, কিন্তু তাদের আচরণ সন্তোষজনক ছিল না। বরং তারা আমার সঙ্গীদেরই নিবৃত করার চেষ্টা করেছে। এতে হামলাকারীরা আরও সুযোগ পেয়েছে।

তিনি বলেন, আমার পাশে থাকা এক তরুণকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছে। তার শরীর ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে, জামা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এটি কোনো গণতান্ত্রিক ও সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার ক্যামেরাম্যানের কাছ থেকেও ক্যামেরা, ঘড়ি ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাকেও মারধর করা হয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন