শনিবার
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুক্রবার অলিগলির ইফতার বাজারে ভিড় 

এনপিবি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
ভাসমান বিশেষ দোকানে চলছে বিভিন্ন রকমের খাবারের বেচাকেনা
expand
ভাসমান বিশেষ দোকানে চলছে বিভিন্ন রকমের খাবারের বেচাকেনা

রমজান মাসে অন্যতম মুহুর্ত হচ্ছে ইফতার। সারাদিন রোজা রেখে পছন্দের মানুষ ও সুস্বাদু খাবার দিয়ে ইফতার করতে আগ্রহী সববয়সী মানুষ। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। বেগুনি, পেঁয়াজু, আলুর চপ, ডিমচপ, ছোলা, মুড়ি ও খেজুরসহ বাহারি খাবারে সাজে বাঙালিদের ইফতার।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বিভিন্ন মেইন রোড ও অলিগলির রাস্তায় ইফতারির দোকানে ভিড় দেখা যায়। স্থায়ী খাবার হোটেলের সামনে বা ভাসমান বিশেষ দোকানে চলছে বিভিন্ন রকমের খাবারের বেচাকেনা।

দুপুর থেকে শুরু হলেও কেনাকাটার চাপ বাড়ে বিকেলের পর থেকে। একদম গরমগরম ভাজা বিভিন্ন খাবার ক্রেতারা নিচ্ছেন পছন্দ অনুযায়ী। রাজধানীর শাহবাগ, আজিমপুর, বেইলি রোডের ইফতারের দোকানগুলোতে ভিড় দেখা যায়।

বাজারে খাবারের দাম ও আকারে রয়েছে ভিন্নতা। প্রতি পিস বেগুনি ও পেঁয়াজু আকারভেদে ৫ থেকে ১০ টাকা, ডিমচপ ও আলুর চপ ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং ডালপুরি ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জিলাপি প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। অন্যদিকে, হালিমের বাটি ছোট ৮০-১০০ টাকা, মাঝারি ১২০-২০০ টাকা এবং বড় বাটি ৩০০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

রমজান মাসকে কেন্দ্র করে মাত্র কয়েক ঘণ্টার এই বেচাকেনাই অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সারা মাসের বাড়তি আয়ের প্রধান উৎস। অনেক স্থানীয় তরুণের জন্যও এতে সাময়িক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আশরাফ নামে এক ইফতার বিক্রেতা বলেন, শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় বেচাকেনা বেড়েছে। গলির দোকানে এদিন একটু বেশি চাপ থাকে।

ইফতার কিনতে আসা আলম নামের এক যুবক বলেন, বাড়িতে সবাই মিলে ইফতার করব। বাসায় সব খাবার এক সঙ্গে তৈরি করা যায় না, তাই দোকানে এসেছি কিনতে। আমি হালিম আর রুটি কিনতে এসেছি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X