

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং কূটনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাব আবারও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে পড়তে শুরু করেছে। কয়েকদিনের ওঠানামার পর তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে দেখা যায়, সোমবার বড় ধরনের দরপতনের পর আবারও ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এশিয়ার বাজারে লেনদেনের শুরুতেই ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৩.৭৫ শতাংশ বেড়ে ১০৩.৬৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে নাইমেক্স লাইট সুইট তেলের দামও ৩.৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৯১.৫৫ ডলারে।
এর আগে সোমবার বাজারে উল্টো চিত্র দেখা গিয়েছিল। সেদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের ওপর সম্ভাব্য নতুন হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি তেহরানের সঙ্গে আলোচনাকে “খুবই ইতিবাচক” বলে মন্তব্য করেন। এই ঘোষণার পরপরই তেলের দাম ১০ শতাংশেরও বেশি কমে যায়।
তবে সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কারণ, ইরান পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না। এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীরা এখন দুই ধরনের সংকেত পাচ্ছেন—একদিকে সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানের ইঙ্গিত, অন্যদিকে তার বিপরীত দাবি। ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে না, বরং দামের ওঠানামা বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের টানাপোড়েন তেলের বাজারকে অস্থির করে রেখেছে। এই পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তথ্যসূত্র : বিবিসি
মন্তব্য করুন
