

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা দ্রুত বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে কাতার এনার্জি। আর তাতেই ইউরোপের পাইকারি বাজারে গ্যাসের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
এলএনজি রপ্তানিকারক কাতার এনার্জি জানায়, উপসাগরীয় দেশটিতে ইরানের হামলায় তারা গ্যাসের উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে।
জানা গেছে, গতকাল সোমবার (২ মার্চ) দিনের শুরুতেই ইউরোপে গ্যাসের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বাড়লেও কাতার এনার্জির উৎপাদন বন্ধের ঘোষণার পর তা, ৫০ শতাংশে পৌঁছায়। এদিন ইউরোপের বেঞ্চমার্ক হিসেবে বিবেচিত ডাচ টি-টিএফ (টিটিএফ) হাবের ফ্রন্ট-মান্থ চুক্তির দাম ১৪.৫৬ ইউরো বেড়ে ৪৬.৫২ ইউরো প্রতি মেগাওয়াট ঘণ্টা (এমডব্লিউএইচ) হয়েছে, যা প্রায় ১৫.৯২ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউয়ের সমান।
বিশ্লেষকরা বলছে, যদি কাতারের এলএনজি সরবরাহ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার আশঙ্কা তৈরি হয়, তাহলে টিটিএফের দাম ৮০–১০০ ইউরো/এমডব্লিউএইচ (২৮–৩৫ ডলার/এমএমবিটিইউ) পর্যন্ত উঠতে পারে। এদিকে, যুক্তরাজ্যের এপ্রিল কন্ট্রাক্ট ৪০ দশকি ৮৩ পেন্স বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি থার্মের দাম হয়েছে ১১৯ দশমিক ৪০ পেন্স।
এদিকে এশিয়াতেও এলএনজির বেঞ্চমার্ক মূল্য বেড়েছে। এশিয়ার এলএনজি মূল্য নির্ধারণে বহুল ব্যবহৃত সূচক এস অ্যান্ড পি গ্লোবালের জাপান-কোরিয়া মার্কারের (জেকেএম) দাম সোমবার সকালে প্রায় ৩৯ শতাংশ লাফ দিয়ে ১৫ দশমিক ০৬৮ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউতে দাঁড়ায়।
সূত্র: আল-জাজিরা
মন্তব্য করুন