শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত আমিরের সঙ্গে শিল্পমালিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:২৭ পিএম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান রোববার রাজধানীর বসুন্ধরায় তার অস্থায়ী কার্যালয়ে দেশের শিল্পখাতের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
expand
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান রোববার রাজধানীর বসুন্ধরায় তার অস্থায়ী কার্যালয়ে দেশের শিল্পখাতের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান রোববার রাজধানীর বসুন্ধরায় তার অস্থায়ী কার্যালয়ে দেশের শিল্পখাতের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে দেশের শিল্প ও বাণিজ্য খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, বিনিয়োগ চ্যালেঞ্জ এবং শ্রম আইন সংশোধনের প্রস্তাবিত রূপরেখা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। বিশেষভাবে আলোচনায় আসে শিল্পখাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও শ্রমিক-মালিক সম্পর্কের উন্নয়ন।

উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, বিজিএমইএ পরিচালক সাইফুল্লাহ মানছুর, ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেলের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া এবং জনসংযোগ কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ কবির।

জামায়াতের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য শাখার সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল ডা. আনোয়ারুল আজিম এবং কেন্দ্রীয় নেতা ও চিকিৎসক ডা. খালিদুজ্জামান।

সাক্ষাতে উদ্যোক্তারা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক নীতির ধারাবাহিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, শ্রম আইন ২০২৫-এর আলোচনায় শ্রমিক ও মালিক উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর স্পষ্ট অবস্থান থাকা জরুরি। দেশের রফতানি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ঐক্যমত্যের প্রয়োজন রয়েছে।

জবাবে ড. শফিকুর রহমান শিল্পখাতের প্রতি জামায়াতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও শিল্পখাতের সুরক্ষা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। শ্রমিক ও মালিকের সম্পর্ক ভারসাম্যপূর্ণ হলে দেশের অর্থনীতি টেকসই হবে।”

ড. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার মূল স্তম্ভ। খাতটি সচল থাকলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং সামাজিক স্থিতি বজায় থাকবে।” তিনি উদ্যোক্তাদের সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য ধন্যবাদ জানান।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন