

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের ছয়টি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে পাঁচটিই বন্ধ হয়ে গেছে। এতে দেশে সার সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমনটি জানিয়েছেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) বাণিজ্য, উৎপাদন ও গবেষণা দপ্তরের পরিচালক
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে তিনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনে পাঁচটি ইউরিয়া কারখানা আছে। এগুলো হলো ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার, শাহজালাল ফার্টিলাইজার, চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার, যমুনা ফার্টিলাইজার ও আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি।
দপ্তরের পরিচালক বলেন, একটি চলছে, সেটি শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড, আর ৪টি বন্ধ। আগে থেকেই আশুগঞ্জ বন্ধ ছিল। বুধবার থেকে বাকি তিনটি বন্ধ হয়েছে।
এছাড়া, বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডও (কাফকো) গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ রেখেছে।
অর্থাৎ, দেশের ৬টি সার কারখানার মধ্যে ৫টির উৎপাদনই বর্তমানে বর্তমানে বন্ধ আছে।
বিসিআইসি পরিচালক জানান, সরকারি ৫টি কারখানার দৈনিক মোট উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার ১০০ টন। শাহজালাল ফার্টিলাইজারের উৎপাদনও যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তিনি বলেন, 'গ্যাস সংকটের কারণে চারটি কারখানায় উৎপাদন গতকাল দুপুরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।'
সরকারের জ্বালানি বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এতে আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। চলমান এই পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সরকার সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: ডেইলি স্টার
মন্তব্য করুন
