বৃহস্পতিবার
০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে পরিবারের অসন্তোষ‎

‎রংপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত শহিদ আবু সাঈদ বাবা-মা
expand
চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত শহিদ আবু সাঈদ বাবা-মা

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ জানিয়েছে বাবা-মা এবং সহযোদ্ধারা। এই রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিফলিত হয়নি বলে মত তাদের। ন্যায় বিচার নিশ্চিতে সরকারের কাছে মামলাটি পুনরায় আপিলের পাশাপাশি পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে।

‎বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

‎এই রায়ে দুই পুলিশ সদস্য আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) দুই শিক্ষককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা পোমেল বড়ুয়াকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।

‎শহীদ আবু সাঈদের বাবা বলেন, যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হলো তারাই তো বেঁচে গেল। এ হত্যায় জড়িত আরও বড় বড় অপরাধীদের কোনো সাজা দেয়া হয়নি। আমার দাবি, কঠোরভাবে এর বিচার হোক।

‎আবু সাঈদের পরিবারের অভিযোগ, দুজন পুলিশ সদস্যের ওপর দিয়ে এই রায়টা চালিয়ে দিয়ে আন্তর্জাতিক আদালত বা সরকার পার হয়ে গেল। কিন্তু এ হত্যার আদেশদাতাদের মৃত্যুদণ্ড না দিয়ে শুধুমাত্র পুলিশ সদস্য ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) এর ওপর দিয়ে এ মামলার রায় চালিয়ে দেয়া হয়েছে বলে দাবি তাদের।

‎পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সহায়তা পেলে তারা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

‎দীর্ঘদিনের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘোষিত এই রায়ে অসন্তোষ কেবল আবু সাইদের পরিবার নয় পুরো রংপুরের মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

‎‎উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং আন্দোলনের গতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন