

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় গলাকাটা ও মাথাবিহীন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক যুবকের লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মো. মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী।
শনাক্ত হওয়া নিহতের নাম গোপাল চন্দ্র দাস (৪৫)। তিনি বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গনপাড়া গ্রামের পরিমল চন্দ্র দাসের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মো. সম্রাট ও মো. রাজু নামে দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠি গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মিয়ার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর তীর থেকে গলাকাটা ও মস্তকবিহীন এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে এবং শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা মর্গে পাঠায়।
পুলিশ সুপার বলেন, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পিবিআই, সিআইডি ও র্যাব কাজ করছে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজে সন্দেহভাজন দুজনকে শনাক্ত করা গেছে। গত রাত তিনটার দিকে সম্রাট নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অপরজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে একটি সাদা রঙের আরটিআর মোটরসাইকেলে তিন যুবক মামুন মিয়ার ইটভাটার ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ৩টা ২৭ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলে থাকা দুই যুবক দ্রুত সেখান থেকে বের হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ভাটার এক কর্মচারী নদীর পাড়ে গিয়ে মস্তকবিহীন লাশটি দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা সেখানে ছুটে আসে এবং পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই যুবককে অপহরণ করে নির্জন স্থানে এনে হত্যা করা হয়েছে। পরে মস্তকবিহীন লাশটি সেখানে ফেলে রাখা হয়।
শনিবার দুপুরে নিহতের বাবা পরিমল চন্দ্র দাস, তার ছেলে ও দুই ভাই এসে লাশটি শনাক্ত করেন।
মন্তব্য করুন