সোমবার
০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সোমবার
০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছেলে হত্যার অভিযোগে বাবার মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৪ এএম
লুৎফর রহমান
expand
লুৎফর রহমান

পটুয়াখালী শহরের ভাড়া বাসায় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া লুৎফর রহমানের মৃত্যুর তিন মাস পর তাঁর বাবা সৈয়দ বাবুল আদালতে হত্যা মামলা করেছেন। তাঁর বাড়ি সদর উপজেলার জৈনকাঠি ইউনিয়নে।

মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে লুৎফরের স্ত্রী মারুফা আক্তারের সাবেক বাগদত্তা মো. স্বপন হাওলাদারকে। গত রোববার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আফজাল হোসেন তালুকদার বলেন, ঘটনার পরে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছিল। আদালত সেই নথি তলব করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে লুৎফর রহমান মারুফা আক্তারকে বিয়ে করেন। পরে পারিবারিক বিরোধে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর মারুফার সঙ্গে তাঁর আত্মীয় স্বপন হাওলাদারের বাগদান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে বিয়ে আর হয়নি। চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল মারুফা আবার লুৎফরকে বিয়ে করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, পুনর্বিবাহের পর স্বপন হাওলাদার মারুফাকে হুমকি দিতেন। গত ৫ জুন তিনি লোকজন নিয়ে শহরের ভাড়াটিয়া বাসায় গিয়ে মারুফাকে অপহরণের চেষ্টা করেন। স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে তাঁরা চলে যান।

জানা গেছে, গত ২৮ আগস্ট রাতে পটুয়াখালী শহরের মুকুল সিনেমা হল এলাকার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে লুৎফরের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সদর থানায় ওই ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়।

তখন লুৎফরের স্ত্রী মারুফা আক্তার ও তাঁর বড় বোন অভিযোগ করেছিলেন, স্থানীয় এক ছাত্রদল নেতা লুৎফরকে মানসিক চাপ দিতেন এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। বাবার করা মামলায় এসব অভিযোগের উল্লেখ নেই। তাঁদের এ বক্তব্য সংরক্ষিত আছে।

এ বিষয়ে বাদী সৈয়দ বাবুল বলেন, ছেলের মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম, তাই তখন কী বলেছি মনে নেই। এখন আদালতের মাধ্যমে ছেলের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করতে চাই। প্রকৃত দোষীরা যেন আইনের আওতায় আসে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন