

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নারায়ণগঞ্জের আলোচিত গার্মেন্ট শ্রমিক সাখাওয়াত হোসেন শুভ্র হত্যা মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় দেন বলে জানিয়েছেন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে পাঁচজন উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কুমিল্লার দনেশ সাহার ছেলে বাবুল সাহা জীবন, ফতুল্লার আমির হোসেনের ছেলে নাজমুল ইসলাম, চাঁদপুরের গোপাল চন্দ্র দাসের ছেলে সঞ্জয় দাস, ফতুল্লার মিলন, বশির, যতীন্দ্রের ছেলে সমীর চন্দ্র মন্ডল ও মৃত ডাক্তার হামিদের ছেলে কাউছার। এদের মধ্যে বাবুল সাহা ও কাউছার পালাতক রয়েছে।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ বলেন, নিহত সাখাওয়াত হোসেন শুভ্র উত্তর নরসিংপুর এলাকায় অবস্থিত রপ্তানিমুখী গার্মেন্ট কারখানা প্লামি ফ্যাশনে চাকরি করতেন।
তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট শুভ্রর মোবাইলে কল করে তাকে ফতুল্লার মাসদাইরের আদর্শ স্কুলের উত্তর পাশের ‘মায়ের আচল’ নামে একটি নির্মাণাধীন ১২ তলা ভবনের সপ্তম তলায় ডেকে নিয়ে যান শহরের দেওভোগ আখড়ার গনেশ সাহার বাড়ির ভাড়াটিয়া দানেশ সাহার ছেলে বাবুল সাহা জীবন। সেখানে জীবনের সঙ্গে তার বন্ধু নাজমুল ইসলাম, সঞ্জয় দাস, মিলন, বশির, সমীর, কাউছারসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজন ছিলেন।
কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক আরও বলেন, তারা শুভ্রকে মাথার পেছনে ও সামনে আঘাত করে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য শুভ্রর মরদেহ ওই দিন রাত ৯টার দিকে শহরের খানপুরের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে চলে যান।
পরে হাসপাতালের ধারণকৃত সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বশির ও সমীর নিহত শুভ্রর মরদেহ হাসপাতালে রেখে যান।
এ ঘটনায় শুভ্রর বাবা বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আদালত সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডের এই রায় ঘোষণা করেন।

