

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন দুই প্রার্থী।
তারা হলেন, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বিদ্যুৎ (ট্রাক) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল কাশেমী (হাতপাখা)।
সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়, নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের জামানত জমা দিতে হয়। মোট প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনটিতে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ১ লাখ ১০ হাজার ২শ ১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম, তিনি পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫শ ৯১ ভোট। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলাম (শাপলা কলি) পেয়েছেন ২২ হাজার ১শ ৯৫ ভোট।
অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বিদ্যুৎ (ট্রাক) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন মাত্র ৩শ ৮৬ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল কাশেমী (হাতপাখা) পেয়েছেন ১ হাজার ৮শ ৭ ভোট। প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশ ভোট না পাওয়ায় এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন
